শুধু পরিবারের সদস্যরাই নন, সারা দেশের মানুষ উৎকণ্ঠায় কাটিয়েছে জুলাইয়ের মাঝের দুটি সপ্তাহ। কিংবদন্তি লালনসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে ভর্তি।ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় একাধিক মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চলেছে তাঁর চিকিৎসা। শেষ রক্ষা হবে তো! পরিবারের সদস্যরা যেমন দিশাহারা, তেমনি দেশের লাখো ভক্ত-অনুরাগীরাও ছিল দুশ্চিন্তায়।অবশেষে সুখবর এলো ২১ জুলাই রাত ১১টার পর। ফরিদা পারভীন বিপদ কাটিয়ে সুস্থ হওয়ার পথে।পারবেন বাড়ি ফিরে যেতে। আর যেন তর সইছিল না পরিবারের সদস্যদের। সেদিন রাতেই তাঁকে নেওয়া হলো বাড়িতে। এরপর কেটে গেছে এক মাসের বেশি সময়।
গতকাল আবদুল হাকিম বলেন, ‘একজন ফরিদা পারভীন পৃথিবীতে যুগে যুগে জন্মায় না। সে এখন ভালো নেই। এ মুহূর্তে রাষ্ট্রের উচিত সরাসরি তার দায়-দায়িত্ব নেওয়া। এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে তার চিকিৎসা করা হয়েছিল। এবার রাষ্ট্র এ দায়িত্ব নিলে ফরিদা পারভীনের চিকিৎসার মান উন্নত হবে।’