আবহাওয়ার সঙ্গে মনের নিবিড় সম্পর্ক। হঠাত্ বজ্রপাত, ঝোড়ো হাওয়া, মেঘের ঘনঘটা ও খানিক পরেই মুষলধারে বৃষ্টি—আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনে মানুষের আবেগে তারতম্য দেখা দেয়। মনের পরিবর্তনও ভিন্ন ভিন্ন হয়। বৃষ্টিতে কারো মন ভালো হয়, কারো হয় মন খারাপ।
আবহাওয়ার সঙ্গে মনের নিবিড় সম্পর্ক। হঠাত্ বজ্রপাত, ঝোড়ো হাওয়া, মেঘের ঘনঘটা ও খানিক পরেই মুষলধারে বৃষ্টি—আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনে মানুষের আবেগে তারতম্য দেখা দেয়। মনের পরিবর্তনও ভিন্ন ভিন্ন হয়। বৃষ্টিতে কারো মন ভালো হয়, কারো হয় মন খারাপ।
বৃষ্টির ছাঁট থেকে বাঁচতে ঘরের জানালা বন্ধ করে দেন অনেকে। ভেজা কাপড় ঘরেই মেলে দেন শুকানোর জন্য। এতে ঘরে অক্সিজেনের অভাব হয়, গুমট লাগে। এমন পরিবেশে মন খারাপ হয়। এ জন্য পানি আসে না এমন জানালা খুলে দিন।
আলোকিত ঘর
ঘন কালো মেঘে চারপাশ অন্ধকার হয়ে যায়। ঘরও যদি হয় আলোহীন, তখন মনে আসে বিষণ্নতা। তাই ঝকঝকে বাতি জ্বালিয়ে ঘর রাখুন আলোকিত। ঘর পরিষ্কার, পরিপাটি এবং গুছিয়ে রাখুন। মন ভালো থাকবে।
প্রতিভা বিকাশ
ঘরবন্দি দিন কাজে লাগান আপনার প্রতিভা বিকাশ ও গুণের উদ্ভাবনে। গান, ছবি আঁকা, সেলাই করা, হোম ডেকোর তৈরি, রান্নাবান্না, ঘর গোছানো, গল্প-কবিতা ও সৃজনশীল লেখালেখির চর্চা করুন।
পছন্দের রান্না
পছন্দের খাবার খেলে মন ভালো থাকে। বৃষ্টির দিন খিচুড়ি, ডিম, ভর্তা, গরুর মাংস বা খাসির মাংস ভুনা, পোলাও বা আপনার পছন্দের কোনো খাবার রান্না করতে পারেন। সন্ধ্যায় পুরি, শিঙাড়া, সমুচা, পাকোড়া, ফুচকা, চটপটি, নুডলস, চা খেলেও ভালো লাগবে।
শখের কাজ
শখের কাজ করলে মন ফুরফুরে থাকে। বৃষ্টিতে গান শোনা, খেলা দেখা, সিনেমা দেখা, বইপড়া, লুডু, ক্যারম কিংবা দাবা খেলা ও শখের কাজ করে মন ভালো রাখা যায়।
বিশ্রাম নিন
বৃষ্টির দিন বের হতে না পারলে ঘরে বিশ্রাম করতে পারেন। এতে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে । কর্মব্যস্ত জীবনে সামান্য বিশ্রাম ক্লান্তি দূর করে নতুন করে কর্মক্ষম হতে সহায়তা করে।