সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

পোষা বিড়ালের যত্ন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
পুষ্টিকর খাবার, নিরাপদ পরিবেশের পাশাপাশি পোষা বিড়ালকে নিয়মিত পশু চিকিৎসক দেখানো জরুরি।
বিড়ালপ্রেমীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পোষা বিড়াল ধীরে ধীরে পরিবারের সদস্য বনে যায়। আদুরে, দুষ্টু এই প্রাণী পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখে। আদর পেলে খুশি হয়, কষ্ট পেলে কাঁদে।

বিড়ালকে বড় করা অনেকটা ছোট শিশু বড় করার মতোই। বিড়ালের লোমশ শরীরের যত্ন-আত্তির নানা কৌশল রয়েছে। তাদের খাদ্যাভ্যাস, নিরাপত্তা থেকে পরিষ্কার করানো, অসুস্থ হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

সময় দিন

সঙ্গ পছন্দ করে বিড়াল।আপনার পোষা বিড়ালটিকে সময় দিন, ওর সঙ্গে খেলুন। খেলনা কিনে দিন। প্রতিদিন ছাদে বা বাইরে নিয়ে যাওয়া ভালো। এতে ওর মন ভালো থাকে।

বিড়াল ঘরে রেখে বাইরে গেলে বাড়িতে পর্যাপ্ত পানি ও খাবারের ব্যবস্থা রাখুন। ঝামেলা এড়াতে বিড়ালকে শুকনা খাবারের (ড্রাই ক্যাটফুড) অভ্যস্ত করান। বিড়াল আঁচড়াতে ভালোবাসে। আঁচড়ানোর জন্য বিড়ালকে নির্দিষ্ট জায়গা করে দিন। সম্ভব হলে বেয়ে ওঠার মতো কিছুর ব্যবস্থা করে দিন।বিড়ালের স্টিক কিনতে পাওয়া যায়। তাতে পাটের দড়ি পেঁচিয়ে বাসায় রাখতে পারেন। বিড়াল সেখানে আঁচড়িয়ে আরাম পাবে। তখন বাসার বিছানার চাদর, সোফা, কুশন সে আচড়াবে না। এতে নিজের পছন্দমতো সময় কাটাতে পারে বিড়াল।

নিরাপত্তা

বাসা ক্যাটপ্রুফ অর্থাত্ বিড়ালের উপযোগী করে নেওয়া আবশ্যক। যাতে বিড়াল বাইরে যেতে বা পড়ে যেতে না পারে। এমনকি বাথরুমের জানালাতেও ছোট ফাঁসের নেট লাগিয়ে দিন। রাসায়নিকের সংস্পর্শ, আগুন ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। একদম ছোট বিড়ালের বাচ্চাদের মা বিড়াল থেকে আলাদা করবেন না। মা ও ভাই-বোনদের শরীরের ওমেই এরা বেঁচে থাকার মতো দরকারি তাপ পায়।

টিকা

বিড়ালের দুই মাস বয়সে কম্বাইন্ড টিকা দিন। এর ২১/২৮তম দিনে দিতে হয় বুস্টার ডোজ। অন্য প্রাণীর কামড় বা আঁচড় থেকে নিরাপদ রাখতে তিন মাস বয়সে জলাতঙ্কের টিকা দিন। টিকা দেওয়া বিড়ালের কামড় বা আঁচড়ে মানুষের জলাতঙ্কের ঝুঁকি নেই। বিশেষজ্ঞ ভেটেরিনারি সার্জনকে দিয়ে পুরুষ বিড়ালকে নিউটার এবং স্ত্রী বিড়ালকে স্প্রে করে দিন। এতে বিড়াল আর বাচ্চা জন্ম দিতে পারবে না। ঘরছাড়া বা আগ্রাসী আচরণ কম হবে। থাকবে সুস্থও।

  বাইরে নিয়ে গেলে

বাইরে গেলে লিশের (বিড়ালের গলার বেল্ট) লম্বা প্রান্ত হাতে ধরে রাখুন। নয়তো পাখি ধরতে গিয়ে লাফ দিয়ে পড়ে যেতে পারে। গলায় কলার পরালে সতর্ক থাকুন। কলার কোনো কিছুর সঙ্গে আটকে বিপদ ঘটতে পারে।

খাবার ও পানি

পরিষ্কার পানি খেতে দিন। আলাদা পাত্রে পানি ও খাবার নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন। নিয়মিত পানি বদলে দিন। ঘরে তৈরি করা খাবার বিড়ালের জন্য সবচেয়ে ভালো। চামড়া ছাড়া মুরগির মাংস সিদ্ধ, সিদ্ধ কলিজা, সিদ্ধ মাছ, ডিম, কুমড়া, লাউ, শসা, মটর, গাজর, শিমের বিচি, ব্রকোলি, মিষ্টি আলু, ভুট্টা, গম সিদ্ধ করে দিতে পারেন। বাজারে ক্যাটফুড পাওয়া যায়। এগুলোও খেতে দিতে পারেন। বারান্দায় ঘাস রাখতে পারেন। প্রয়োজন হলে ওরা ঘাস খেয়ে নেয়, বিষাক্ত পদার্থ ঘাসের সঙ্গে বমি করে উগরিয়েও দেয়। তরল খাবার বা ওষুধ মুখের এক পাশ থেকে দিন। কাঁচা মাছ-মাংস, আঙুর, চকোলেট, চা, কফি, চিনি, অ্যালকোহল দেবেন না। ছোট্ট বিড়াল মায়ের দুধ না পেলে তরল দুধের সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে খেতে দিন।

পরিচ্ছন্নতা

বিড়ালের প্রস্রাব-পায়খানার জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থানে লিটার বক্সের ব্যবস্থা করে দিন। এখানে তাকে প্রস্রাব-পায়খানায় অভ্যস্ত করান। দু-এক সপ্তাহ পর পর লিটার বক্সের লিটার বদলে দিন। গোসল করাতে আলাদা সাবান-শ্যাম্পুর ব্যবস্থা করুন। কখনোই খুব গভীর করে নখ কাটা ঠিক নয়। ঘুমের সময় ছাড়া বিড়ালকে একলা ঘরে রাখলে আলোর ব্যবস্থা রাখুন। কিছুদিনের জন্য কোথাও যেতে হলে পরিচিত ও নিরাপদ কোনো আশ্রয়ে ওকে রেখে যান।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com