♦ ঠিকমতো না ঘুমানো।
♦ অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাওয়া।
♦ ধূমপান, অ্যালকোহল ও ড্রাগ গ্রহণ।
♦ উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ না নেওয়া।
♦ ভাইরাসজনিত রোগের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব।
কিভাবে অল্পবয়সে হার্ট ফেইলর প্রতিরোধ করা যায়—এ প্রশ্নের জবাবে গবেষক ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা একটিই কথা বলেছেন, সুস্থ থাকলেও নিয়মিত হৃদরোগ পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ইসিজি এবং ইইজির পাশাপাশি প্রয়োজনে ইকোকার্ডিওগ্রাম ও রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। অন্তত রক্তচাপ ও রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত সবার। এর পাশাপাশি যতটা সম্ভব মানসিক চাপ পরিহার করে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলে রুটিনমাফিক ঘুমাতেও হবে।