বাসায় এলো দুই অতিথি টাকি এবং কই
টাকির স্বভাব তিড়িংবিড়িং কইয়ের মেজাজ টং
ড্রয়িংরুমের ফ্লোরে দুজন নাচছিল—পিংপং।
দুটি লিমেরিক
হোসাইন রিদওয়ান আলী খান
বকশির আছে তিন তিন চ্যালা, কেহ নাহি থাকে কালনায়;
এক চ্যালা মাঝি, চালনায় থাকে, প্রতিদিন ধরে হাল নায়;
আর এক চ্যালা, বলে নিন্দুকে,
মারে টাকা, ভরে উহা সিন্দুকে;
আর চ্যালা ভালো বাবুর্চি বটে—আরশোলা দেবে ডালনায়।
কাবুলে রেস্তোরাঁতে ঘ্রাণ পেয়ে কোফতার
চুরি করে খেয়ে নেয়, হলে ভারি লোভ তার;
যেই লোকে টের পায়,
বকশিকে পাকড়ায়,
তারপর কাঁচি দিয়ে ছেঁটে দিল গোঁফ তার।
বাসায় এলো দুই অতিথি টাকি এবং কই
টাকির স্বভাব তিড়িংবিড়িং কইয়ের মেজাজ টং
ড্রয়িংরুমের ফ্লোরে দুজন নাচছিল—পিংপং।
আহমেদ সাব্বির
দুই অতিথি বসবে কোথায়? থাকবে কোথায় রাতে?
সবাই অবাক! আসল তারা কিভাবে কার সাথে!
আসল যখন থাকবে কদিন! খাবে কী তিনবেলা?
আপ্যায়নের ত্রুটি হলে সামলাবে কে ঠেলা?
প্রশ্ন শুনে কই ও টাকি
বলল—ওমা! থাকব নাকি?
একটু পরেই বিদায় নেব, ছুটব সাঁতার কেটে
চা-বিস্কুট খাওয়ার মতো জায়গা তো নেই পেটে।
বিদায়বেলা দুই অতিথি বলল হাসিমুখে—
এসেছিলাম চিন্টুবাবুর জুতার ভিতর ঢুকে।
আবার যদি ঢুকতে পারি আসব অবশ্যই
চিন্টুবাবুর জুতার ভিতর জল করে থইথই।