কোরবানির ঈদের আগেই শুরু হয় রান্নাঘরের গোছগাছ। ধুয়েমুছে নেওয়া হয় থালা-বাটি, গ্লাস-কাপ, হাঁড়ি-পাতিল। কেউ কেউ নতুন কিছু কিনতেও বের হন। কারণ অতিথির সংখ্যায় বাসনকোসন কম পড়ে গেলে কিংবা খাবার-পানীয় পরিবেশনের পাত্রে দাগ বা ফাটল থাকলে তা হবে বিব্রতকর।ফলে ঈদের সকালের রান্না করার সঙ্গে মাথায় ঘুরতে থাকে দুপুরে অতিথি এলে কিভাবে পরিবেশন করবেন। কোন প্লেটে বিরিয়ানি যাবে, কোন বাটিতে রেজালা সাজাবেন, কোন পাত্রে কী রান্না হবে। এসব বিষয়-আশয় মাথায় রেখে আগেই দেখে নিন আপনার সংগ্রহে কী কী পাত্র আছে আর কী কী কিনতে হবে।
আগেই কিনে নিন জরুরি জিনিসপত্র
আমরা অতিথি আপ্যায়নে যতটা গুরুত্ব দিই খাবারে, ঠিক ততটাই দেওয়া উচিত খাবার পরিবেশনে।নানা রকম রান্না যেমন উত্সবের প্রাণ, তেমনি টেবিল হচ্ছে সেসব সজ্জার মঞ্চ। ঈদের দুপুরে যখন মেহমানরা বসবেন খেতে, তখন পাত্র কম পড়লে, কিংবা ভিন্ন ভিন্ন রং বা সেটের বাসনকোসনে খাবার তুলে দিলে রুচির প্রশ্ন ওঠে বৈকি। আবার পরিমাণে বেশি রান্না করতে গিয়ে দেখলেন যত বড় পাত্র প্রয়োজন, সেটি আপনার নেই। তাহলে তো বেশ বিপদ।তাই আগেভাগে হিসাব করে দেখে নেওয়া জরুরি, প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র সব আছে কি না, বা নতুন কিছু যোগ করতে হবে কি না।
কেনার আগে
ক্রোকারিজ কেনার সময় ভাবতে হবে, আপনার বাজেট কত। তার ওপর নির্ভর করে ঠিক করুন আপনি ঠিক কী কী কিনবেন। তারপর নজর দিন কোন ধরনের পাত্র, কেমন সাইজ আর রং, নকশা কেমন হবে। খেয়াল রাখুন, নকশা করা কাচ কিংবা সিরামিকের বাসন শৌখিন কিন্তু ভাঙার ভয়ও বেশি।আবার ম্যালামাইন সহজে না ভাঙলেও একটু সাদামাটা দেখায়। তাই রুচি আর ব্যবহারের সুবিধার মধ্যে একটা ভারসাম্য খুঁজে নিতে বেছে নিতে পারেন হাতে আঁকা চীনামাটির সেট, স্টোনওয়্যার, মাটির সানকি-সরা ইত্যাদি। যেটাই কিনুন না কেন, টেবিলের সঙ্গে মিল থাকা, নানামুখী ব্যবহারে সুবিধা থাকাটাই মূল। রন্ধন ও পরিবেশনশিল্পীদের মতে, এক জাতীয় থালা-বাটির সেট হলে পরিবেশনে সামঞ্জস্য আসে। নানা ডিজাইনের থালা মেলালে চোখে খটকা লাগে।তাই ঈদের রান্নাঘর ও ডাইনিংটেবিল একসঙ্গে সাজাতে চাইলে দেয়ালের রং, টেবিলের ম্যাটেরিয়াল আর উত্সবের ‘মুড’ মিলিয়েও নতুন ক্রোকারিজ কিনতে পারেন।
কোথায় পাবেন
আড়ং, নিউমার্কেট, টাউন হল, কৃষি মার্কেট, মৌচাক, গুলশান-১, এলিফ্যান্ট রোড, ভ্যান মার্কেট, অনলাইন শপসহ বিভিন্ন মার্কেটে পাওয়া যাবে সেটসহ বা সেট ছাড়া প্রয়োজনীয় ক্রোকারিজ পণ্য।