সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

কবি নজরুলের ইসলামি সংগীত

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কালজয়ী ইসলামি সংগীত রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যাকাশে বিশালতর এক ধ্রুবতারা হিসেবে চির অম্লান হয়ে থাকবেন। কাজী নজরুল ইসলাম তার অমর কীর্তিমান ইসলামি সংগীতগুলো না লিখলে বাংলার ইসলামি সংস্কৃতি হাজার বছর পিছিয়ে থাকত।শানিত কলমের ছেদনীতে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তুলে ধরেছেন ইসলাম ধর্মের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে কুরআন ও হাদিসের আলোকে হাজার বছরের সেরা সব ইসলামি সংগীত, গজল, হামদ, নাত। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, তাওহিদ, রিসালাত, ঈদ, রমজান, শবে কদর, শবে বরাত, মিরাজ, মহররম, ইসলামি জাগরণী গান, সাহাবাগণের জীবনাদর্শ, মহিয়ান-মহীয়সী নারী-পুরুষের জীবনীসহ সব বিষয়ের সুন্দর উপস্থাপন একমাত্র কাজী নজরুল ইসলামের দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। পবিত্র কুরআন মাজিদের ৭৫ নম্বর সুরা ‘আল-কিয়ামা’র ছোট্ট ছোট্ট ৪০টি আয়াতের ছায়াশ্রয়ে কবি লিখেছেন, ‘যেদিন রোজ হাশরে করতে বিচার, তুমি হবে কাজী।/ সেদিন তোমার দিদার আমি, পাব কি আল্লাহ জি?’সুরা আল-কিয়ামার ২২ ও ২৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, ‘উজুহুই ইয়াও মাইজিন না-দিয়াহ।’ (সেদিন অনেক মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হবে।) ‘ইলা রাব্বিহা না-জিরাহ।’ (তারা তার পালনকর্তা, আল্লাহর দিকে তাকিয়ে থাকবে।)অর্থাত্, কেয়ামতের দিন যারা আল্লাহকে দেখতে পাবেন, তারা বেহেস্তি। অথবা যারা বেহেশতের ফায়সালা পেয়ে যাবেন, তারা আল্লাহকে দেখতে পাবেন। কাজী নজরুল ইসলাম তার ঐ গানের দ্বিতীয় অন্তরার শেষে বেশ কায়দা করে লিখলেন, ‘আমি তোমায় দেখে হাজার বার, দোজখে যেতে রাজি!’ আহ! কী সুন্দর, সুললিত ভাষায়, আবেগাপ্লুত সুরে কবি আল্লার বাণীগুলো তার ইসলামি গানের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com