সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

৬০ শতাংশ হৃদরোগীর বয়স ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে কেন? জানালেন চিকিৎসক

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হৃদরোগ দিবস। প্রাণ থেকে প্রেম, যে হৃদয় আপনার সর্বক্ষণের সঙ্গী, ধকধক করে জানান দেয় সে আছে, তার খেয়াল রাখাটাও যে আপনারই কর্তব্য। আর সেটা মনে করিয়ে দিতে, হার্ট সম্পর্কে আরও সচেতনতা বাড়াতেই আয়োজন এই World Heart Day-এর। একটা সময় ছিল যখন হার্ট অ্যাটাক বললেই মানুষ ভাবতো, বিষয়টা বয়স্কদের সুস্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত। যদিও বর্তমান ট্রেন্ড বলছে, সে সব সময় পাল্টেছে। জীবনযাত্রার মধ্যগগনে থাকা তরুণ ও যুবকরাই বরং বেশি ভুগছেন হৃদরোগে।


পরিসংখ্যান বলছে, জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের প্রায় ৬০ শতাংশ-এর বয়স ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। যার মধ্যে আশঙ্কাজনক ‘স্টেমি’ (STEMI) এবং ‘নন-স্টেমি’ (NSTEMI) উভয় ধরনের রোগীই রয়েছেন। কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিয়োলজিস্ট ডাঃ উদয়শঙ্কর দাস এই বিষয়ে বলেন, ‘রোগীদের বয়সের এই ব্যাপক পরিবর্তনই জনস্বাস্থ্যে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ইমারজেন্সি-তে এমন বহু রোগী আসছেন যাঁদের বয়স ৩০ থেকে শুরু করে ৪০ কোঠার শুরুর দিকে। ধমনীতে ব্লকেজ বা ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে।’

যুবকের হার্ট অ্যাটাক
সুস্থ হয়ে ওঠার পরও ক্যান্সার রিল্যাপ্স করে মুস্তাক খানের শরীরে? কেন এমন হয়?
মাছ-মাংস সহজপাচ্য করতে বেশিক্ষণ ধরে রান্না করছেন? প্রোটিন পুড়িয়ে ফেললেই বিপদ

কেন তরুণদের মধ্যে বাড়ছে হার্টের রোগ?

কম বয়সে হৃদরোগের এই আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির মূলে রয়েছে বংশগত স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং আধুনিক জীবনযাত্রা ও পরিবেশের প্রভাব। ডাঃ দাস বলেন, ‘হৃদরোগের ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাব এবং পারিবারিক ইতিহাস ঝুঁকির তালিকায় সবচেয়ে উপরে রয়েছে। বিশেষ করেএশীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই প্রভাব ধমনীর ক্ষতি আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। তবে এই সুপ্ত বংশগত ঝুঁকিকে আরও ভয়ানক করে তুলছে আধুনিক অলস জীবনযাপন, অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা, ব্যাপক তামাকের সেবন এবং ধরা না-পড়া ‘অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া’ (OSA)-র কারণে অল্প বয়সে বেড়ে যাওয়া উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। এ সব কারণেই অল্প বয়সীদের ধমনীতেও নীরবে তৈরি হচ্ছে প্রদাহ। যা ধমনীকে সময়ের আগেই শক্ত করে ফেলে এবং হঠাৎ রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে কয়েক গুণ।’

কী ভাবে কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি?

এই প্রবণতা রোধ করতে ডাঃ দাস বার বার জোর দিয়েছেন স্বাস্থ্য সচেতনতার উপরে। প্রাথমিক পর্যায় থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে বিপদ অনেকাংশেই এড়ানো সম্ভব। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেই— বিশেষ করে ২৫ বছর বয়সের আগে বার্ষিক সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর রুটিন করে ফেলা প্রয়োজন। যার মধ্যে আছে লিপিড প্রোফাইল, রক্তচাপ এবং রক্তের শর্করা পরীক্ষার মতো কিছু জরুরি রুটিন টেস্ট। প্রাথমিক পরীক্ষার পাশাপাশি তরুণদের হৃদযন্ত্র সুরক্ষিত রাখতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনাটাও অপরিহার্য। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন দিন ৩০ মিনিট মাঝারি ধরনের অ্যারোবিক ব্যায়াম করা খুব উপকারী হতে পারে। একই সঙ্গে সুষম ডায়েট মেনে চলাটাও জরুরি।

যুবকের হার্ট অ্যাটাক
দিনে মাত্র ১০০ গ্রাম আল্ট্রা-প্রসেসড ফুড খেলে শরীরে কত রকমের রোগ হতে পারে জানেন?

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com