দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো দুই হাজার ১৫৮ জন।
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো দুই হাজার ১৫৮ জন।
এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৬৯৪ জনে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন অক্টোবরে ডেঙ্গুর এ সংক্রমণ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে। ডেঙ্গুর উপসর্গ উচ্চ জ্বর, প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, শরীর ও জয়েন্টে ব্যথা, বমি, দুর্বলতা কিংবা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ৫০৮ জন, ঢাকা বিভাগে ৩৪৫ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে আক্রান্ত ৩৪৫ জন, বরিশালে আক্রান্ত ২২৭ জন, খুলনায় ৩২৯ জন, ময়মনসিংহে ১৩২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭৬ জন ও রংপুর বিভাগে ৭৩ জন।
দেশে প্রথম বড় আকারে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় ২০০০ সালে। এরপর আর কোনো বছরই বাংলাদেশ ডেঙ্গুমুক্ত হয়নি। সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে ২০২৩ সালে। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় তিন লাখের বেশি মানুষ এবং মারা যায় এক হাজার ৭০৫ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৯ মৃত্যু : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে এক হাজার ৩৪১ জন। তাদের মধ্যে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৫৫ জন। হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৩ জনের শরীরে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গেল ১৫ মার্চ থেকে হামের তথ্য প্রকাশ করে আসছে। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ১০১ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃত্যু এক হাজার ৯৬ জন।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৫১২ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৭৮ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯৬, চট্টগ্রামে ৯১, ময়মনসিংহে ৮১, বরিশালে ৭৯, খুলনায় ৪৪ ও রংপুর বিভাগে ১৫ জন মারা গেছে। গতকাল পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮৮ হাজার ৪১। হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১২। হাসপাতালে ভর্তি রোগী এক লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ জন।