সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

পরিপাটি রান্নাঘর

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

একটি ঘরের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জায়গাটি হচ্ছে রান্নাঘর। দিনের বেশির ভাগ সময় গৃহিণীদের রান্নাঘরে কাটাতে হয়। তাই প্রত্যেক নারীরই বড় আর খোলামেলা একটি রান্নাঘর আশা করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বড় রান্নাঘর দেখা যায় না বললে চলে। বেশির ভাগ বাসায় রান্নাঘর থাকে খুব ছোট। কী আর করা? সাধ আর সাধ্য তো সব সময় মিলে না। এ ছোট রান্নাঘরটি সুন্দর পরিপাটি করে সাজিয়ে-গুছিয়ে নিন। এক সময় দেখবেন ওই ছোট ঘরটি আপনার চোখে সুন্দর হয়ে উঠবে।

আজকাল বাজারে অনেক ধরনের ডিজাইনের রেক পাওয়া যায়। যেখানে প্লেট, বাটি, হাঁড়ি-পাতিল সবই রাখা যায়। ঘরের সঙ্গে মানানসই একটি রেক কিনে সেখানে তৈজসপত্র গুছিয়ে রাখুন। কোনো কোনো রান্নাঘরে ফিক্সড তাক থাকে। সেখানে একেক পাশে একেকটা জিনিস সাজিয়ে নিন। অতিরিক্ত হাঁড়ি-পাতিলগুলো ওপরের দিকে রাখুন। তেল-মসলার কৌটা, রান্নাঘরে ব্যবহৃত অন্যান্য ছোট ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তুলনামূলক কাছে নিচের দিকে গুছিয়ে রাখুন। চুলা থেকে দূরে দরজার পাশে ওভেন আর ব্লেন্ডারটিও রাখতে পারেন। পাশে চা-কফির কাপ, কেটলি সাজিয়ে রাখতে পারেন। চালের ড্রাম তাকের একদম নিচে বা ঘরের একটা কোনায় রাখতে পারেন।

এভাবে গুছিয়ে রাখলে ঘর অনেকটা ফাঁকা লাগবে আর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহজে হাতের কাছে পেয়ে যাবেন। তাছাড়া তখন দেখবেন এ অল্প জায়গাতে আপনি অনেক কিছু গুছিয়ে রাখতে পেরেছেন। অনেক সময় সিংকের পাশের জায়গা সিমেন্টের তৈরি থাকে। সেখানে বঁটি রেখে কাটাকুটির কাজ সারতে পারেন অথবা ঘরে বাটাবাটি করার জন্য পাটা থাকলে তা ওই সিমেন্টের ওপর রেখে মসলা বাটতে পারেন।

রান্নাঘরের তাকে ক্যালেন্ডারের কাগজ পেতে দিয়ে জিনিসপত্র রাখুন। চার-পাঁচ মাস পরপর তা বদলে দিন। যেহেতু রান্নাঘর ছোট, তাই অহেতুক জিনিস দিয়ে ঝামেলা বাড়াবেন না। রান্না শেষে চুলা পরিষ্কার করে ফেলুন। সঙ্গে চুলার পাশের দেয়ালও মুছে নিন। তাতে রান্নার সময় ছিটকে পড়া তেল মসলা লেগে থেকে দেয়াল ও চুলা নোংরা হবে না। সপ্তাহে অন্তত একদিন সাবান পানি দিয়ে রান্নাঘরের জানালা পরিষ্কার করে নিন। তাহলে গ্রিলগুলো তেল চিটচিটে হয়ে নোংরা হবে না। চুলার তাপ থেকে রক্ষা পেতে এক্সজস্ট ফ্যান লাগিয়ে নিতে পারেন। তা সম্ভব না হলে ছোট ফ্যান কিনে জানালায় টানিয়ে নিন। রান্নার কাজ শেষ হলে বাড়তি হাঁড়ি, বাটি, বঁটি সব ধুয়ে জায়গা মতো রেখে দিন। পাঁচ-ছয় মাস পরপর মসলার কৌটা ও রান্নাঘরে থাকা অন্যান্য তৈজসপত্র সাবান পানিতে পরিষ্কার করে রাখুন। অনেকেরই অভ্যাস পলিথিন সংগ্রহ করার। মাছ, মাংস সংগ্রহের জন্য অনেক বেশি পলিথিনের প্রয়োজন হয় না।

অল্প কয়েকটি পলিথিন একটি শপিং ব্যাগে নিয়ে রেকের এক পাশে রেখে দিতে পারেন। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখলে ঘর এলোমেলো হয়ে নোংরা হয়ে থাকে। রান্নাঘরের এক কোণে একটু আড়ালে ময়লার ঝুড়ি রাখুন। ঝুড়িতে বড় একটা পলিথিন দিন। তাতে ঝুড়ি পরিষ্কার থাকবে। ময়লা ফেলার সময় পলিথিন তুলে ফেলে দিলে হয়ে যাবে। সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে গুছিয়ে রাখলে ছোট রান্নাঘরটিও দেখবেন বড় দেখাচ্ছে আর ভেতরে ঢুকলে এক রকম শান্তি অনুভব করবেন।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com