সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ত্বক অল্প পুড়ে গেলে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

মধু

পুড়ে যাওয়া অংশে যদি একটু মধু লাগিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে ফোসকা পড়বে না, আর তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

ভিনেগার

পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে তাতে একটি রুমাল বা পরিষ্কার কাপড়ের টুকরা ভিজিয়ে পুড়ে যাওয়া অংশে কিছুক্ষণ রাখুন। এভাবে কয়েকবার করুন। কিছুক্ষণ পর যন্ত্রণা কমে যাবে।

অ্যালোভেরা

পোড়া জায়গায় অ্যালোভেরা লাগালে তাড়াতাড়ি জ্বালা কমে যায়। বাড়িতে অ্যালোভেরাগাছ থাকলে পাতা ছিঁড়ে ভেতরের অংশ বের করে সরাসরি পোড়া অংশে লাগালেও উপকার পাওয়া যায়।

কলার খোসা

কলার খোসা পোড়া অংশে লাগিয়ে রাখুন, যতক্ষণ না খোসা কালো হয়ে যায়। তাহলে ফোসকা পড়বে না। টক দই লাগালেও হয়। কিন্তু পুড়ে যাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর টক দই লাগানো উচিত।

ল্যাভেন্ডার অয়েল

ক্ষত স্থানে ল্যাভেন্ডার অয়েল লাগাতে পারেন। ল্যাভেন্ডার অয়েল পোড়া জায়গায় লাগালে ক্ষত দ্রুত সেরে যায়।

প্যাক

ল্যাভেন্ডার অয়েল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে পোড়া জায়গায় প্রতিদিন চারবার লাগান। ক্ষত তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।

শিশুর প্রসাধনী কতটুকু প্রয়োজন

সোনামণিদের সংবেদনশীল ত্বক ও চুলে প্রসাধনী ব্যবহারে দ্বিধায় পড়েন অনেক অভিভাবক। কতটুকু দেবেন, নাকি আদৌ দেবেন না এমন নানা প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খায়। পরামর্শ দিয়েছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সেলিম শিকদার। লিখেছেন আতিফ আতাউর

শিশুর প্রসাধনী কতটুকু প্রয়োজন
শিশুর প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে বুঝেসুজে। ছবি : বেবিপিক্স

আদরের সন্তানের নরম ও কোমল ত্বকের স্পর্শ সব মা-বাবার কাছেই এক পরম অনুভূতি। সন্তান পৃথিবীতে আসার পর থেকেই তার ত্বকের মসৃণতা ও সুরক্ষা বজায় রাখতে তাঁদের চেষ্টার অন্ত থাকে না। এমন দম্পতিও আছেন, যাঁরা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই তার যত্ন-আত্তির জন্য প্রয়োজনীয় নানা জিনিস কিনে রাখেন। বাজারে এই জাতীয় শিশুতোষ পণ্যের পসরাও কম নয়। বেবি শ্যাম্পু, বেবি সোপ, বেবি লোশন, বেবি অয়েল, বেবি পাউডার থেকে শুরু করে ডায়াপার র্যাশ ক্রিম বা ওয়েট ওয়াইপসসহ কত কি যে পাওয়া যায়! প্রশ্ন হলো, একটি শিশুর জন্য কৃত্রিম প্রসাধনীগুলো আসলে কতটা প্রয়োজন? এসব প্রসাধনীর অযাচিত ব্যবহারে অনেক সময় হিতে বিপরীতও হতে পারে। এ জন্য শিশুদের প্রসাধনী ব্যবহারে অভিভাবকদের সচেতন থাকা উচিত।

শিশুর ত্বকের গঠন ও প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা

শিশুদের ত্বক বড়দের ত্বকের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি পাতলা। এ কারণে তাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়। শিশুদের ত্বকে এমনিতেই একটি প্রাকৃতিক সুরক্ষাস্তর বা ময়েশ্চারাইজিং ব্যারিয়ার থাকে। এটি বাইরের ধুলাবালি ও জীবাণু থেকে তাদের ত্বককে রক্ষা করে। অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করলে ত্বকের এই স্বাভাবিক আর্দ্রতার স্তরটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে দেখা দিতে পারে একজিমা, র‍্যাশ বা অ্যালার্জির মতো নানা জটিলতা।

কতটুকু প্রসাধনী প্রয়োজন

শিশুর ত্বকের যত্নে কমবেশি (Less is more) নীতি মেনে চলা উচিত। খুব অল্প কিছু মৌলিক বিষয় ছাড়া প্রসাধনী ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। শিশুদের প্রসাধনী খুব মাইল্ড বা মৃদ এবং অ্যালার্জি হওয়ার ভয় নেই এমন হতে হবে। ছোটদের প্রধান প্রসাধন সাবান, শ্যাম্পু, লোশন ও তেলেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। এগুলো অবশ্যই মানসম্মত হতে হবে।

সাবান ও শাওয়ার জেল

আট বছরের কম শিশুকে প্রতিদিন সাবান দিয়ে গোসল করানোর প্রয়োজন নেই। সপ্তাহে দুই বা তিন দিন অত্যন্ত হালকা, পিএইচ ব্যালান্সড ও প্যারাবেনমুক্ত বেবি সোপ বা শাওয়ার জেল ব্যবহার করাই যথেষ্ট। শিশুর চুলে কন্ডিশনার লাগানোর প্রয়োজন নেই।

ময়েশ্চারাইজার বা লোশন

গোসলের পর শিশুর ত্বক সামান্য ভেজা থাকা অবস্থায় হালকা ময়েশ্চারাইজার বা প্রাকৃতিক তেল (যেমন—নারকেল তেল) ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

র‍্যাশ ক্রিম

ডায়াপার ব্যবহারের কারণে ত্বকে লালচেভাব বা র্যাশ দেখা দিলে জিংক অক্সাইডযুক্ত র্যাশ ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

যা এড়িয়ে চলা জরুরি

বিজ্ঞাপনের চমকে ভুল প্রসাধনী নির্বাচন শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ জন্য তাদের প্রসাধনী ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিত। শিশুর বয়স এক মাস পার হওয়ার আগে কোনো প্রসাধনী প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার না করাই ভালো।

ট্যালকম পাউডার

অতীতে শিশুদের ত্বকে পাউডারের ব্যাপক প্রচলন থাকলেও বর্তমানে ব্যবহারে নিরুত্সাহ করা হয়। পাউডারের সূক্ষ্ম কণা শিশুর শ্বাসনালিতে গিয়ে শ্বাসকষ্ট বা ফুসফুসের জটিলতা তৈরি করতে পারে। এ ছাড়া এতে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ঘামাছি, র্যাশ, ফুসকুড়িসহ ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

কৃত্রিম সুগন্ধি

যেসব লোশন বা সাবানে মিষ্টি সুগন্ধ থাকে, সেগুলোতে রাসায়নিকের মাত্রা বেশি থাকে। এটি শিশুদের ত্বকে অ্যালার্জি ও চুলকানির অন্যতম প্রধান কারণ। এ জন্য সুগন্ধিযুক্ত লোশন বা সাবান পরিহার করা ভালো।

অ্যালকোহলযুক্ত ওয়াইপস

প্রয়োজন ছাড়া ওয়েট ওয়াইপস ব্যবহার না করাই ভালো। ওয়াইপসে থাকা অ্যালকোহল ও প্রিজারভেটিভ শিশুর নরম ত্বক শুষ্ক করে ফেলে। এর বদলে সুতি কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে পরিষ্কার করা অনেক বেশি নিরাপদ।

সচেতনতা

আদরের সোনামণির জন্য যেকোনো প্রসাধনী কেনার আগে লেবেল ভালোভাবে পড়ে দেখুন।Hypoallergenic, Paraben-free, Phthalate-free ev Fragrance-free শব্দগুলো লেখা আছে কি না নিশ্চিত হোন। সম্পূর্ণ শরীরে নতুন কোনো পণ্য ব্যবহারের আগে শিশুর হাত বা পায়ের ছোট অংশে পরীক্ষা (Patch Test)) করে নিন। কোনো অসংগতি দেখলে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখতে হবে, শিশুর ত্বকের আসল সৌন্দর্য ও সুরক্ষা বজায় থাকে মূলত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায়। চটকদার প্রসাধনী নয়, বরং পরিমিত ও সঠিক যত্নই নিশ্চিত করতে পারে সোনামণির সুন্দর ও কোমল ত্বক।

 

 

 

 

 

 

 

 

আমড়া আনারসের মুখরোচক পদ

দেশি ফল আমড়া ও আনারসের মৌসুম চলছে এখন। ফল দুটি দিয়ে বানাতে পারেন মুখরোচক নানা পদ। পাঁচটি রেসিপি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মাকসুদা বেগম স্নিগ্ধা

আমড়া আনারসের মুখরোচক পদ

আনারসের শরবত

উপকরণ

বড় পাকা আনারস দুটি, লবণ অর্ধেক চা চামচ, চিনি স্বাদমতো, বিট লবণ সিকি চা চামচ, লাল পাকা মরিচ একটি, পানি আড়াই কাপ এবং বরফ কুচি ইচ্ছামতো।

 

যেভাবে তৈরি করবেন

১.   প্রথমে আনারস খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে কিউব করে কেটে নিন।

২.   একটি ব্লেন্ডার জগে সব উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।

৩.   এবার ছেঁকে সুন্দর করে পরিবেশন করুন।

 

আমড়ার মোরব্বা

উপকরণ

পাকা আমড়া বড় সাইজের ছয়টি, লবণ আধা চা চামচ, চিনি তিন কাপ, পানি চার কাপ, এলাচ একটি, দারচিনি এক টুকরা এবং তেজপাতা একটি।

আমড়া আনারসের মুখরোচক পদ

যেভাবে তৈরি করবেন

১.   প্রথমে আমড়া খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে কেচে নিন। টিস্যু দিয়ে ভালো করে মুছে নিন।

২.   চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে পানি, চিনি, গরম মসলা আর আমড়া দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে বসিয়ে রাখুন।

৩.   আস্তে আস্তে জ্বাল হতে হতে শিরাটা ঘন হয়ে আসবে এবং আমড়াগুলো সিদ্ধ হয়ে আসবে।

৪.   আমড়া সিদ্ধ হয়ে শিরার গায়ে লেগে এলে নামিয়ে নিন।

৫.   এয়ারটাইট কাচের বয়ামে রেখে বেশ কিছুদিন সংরক্ষণ করে খাওয়া যায়।

 

আমড়া মাখা

উপকরণ

আমড়া বড় সাইজের চারটি, সরিষা বাটা আধা চা চামচ, যেকোনো আচারের তেলসহ মসলা দুই টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, গুড় স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদমতো, ধনেপাতা কুচি ইচ্ছা অনুযায়ী এবং পুদিনাপাতা কুচি স্বাদমতো।

আমড়া আনারসের মুখরোচক পদ

যেভাবে তৈরি করবেন

১.   প্রথমে আমড়া খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে মিহি কুচি করে নিন।

২.   এবার একটি বাটিতে আমড়া কুচি ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মেখে নিন।

৩.   এবার আমড়া কুচি মাখানো উপকরণের সঙ্গে ভালো করে মেখে নিন।

৪.   এরপর সুন্দর করে পরিবেশন করুন।

 

পাইনাপেল মাফিন

উপকরণ

ময়দা দেড় কাপ, ডিম দুটি, লবণ এক চিমটি, চিনি স্বাদমতো, আনারস কিউব করে কাটা আধা কাপ, চিনি সিকি কাপ, বেকিং পাউডার এক চা চামচ, আলমন্ড কুচি সিকি কাপ, কালো কিশমিশ ইচ্ছামতো, সামান্য হলুদ ফুড কালার এবং বাটার আধা কাপ।

আমড়া আনারসের মুখরোচক পদ

যেভাবে তৈরি করবেন

১.   আনারস খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে কিউব করে কেটে নিন। চুলায় চিনি আর সামান্য একটু পানি দিয়ে বলক এলে আনারসের টুকরা দিয়ে ভালো করে নেড়ে শিরা গায়ে লেগে এলে নামিয়ে নিন।

২.   এবার একটি বাটিতে শুকনা উপকরণ সব একসঙ্গে চেলে নিন। বাটিতে ডিম আর চিনি স্বাদমতো দিয়ে বিট করে ফোম করে নিন। এর সঙ্গে শুকনা উপকরণ আর বাটার মিশিয়ে নিন।

৩.   এবার ব্যাটারে শিরার আনারস টুকরা, ফুড কালার ও কিশমিশ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

৪.   কাপ কেকের মোল্ডে লাইনার বিছিয়ে ব্যাটার দিয়ে ওপরে কাঠবাদাম কুচি দিয়ে রাখুন। ইলেকট্রিক ওভেন ১৮০ ডিগ্রিতে প্রি-হিটেড করে নিন পাঁচ মিনিট। ওভেনে মোল্ড বসিয়ে বেক করুন ১৮০ ডিগ্রিতে ২০ মিনিট।

৫.   হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

নারকেল দুধে আমড়ার টক

উপকরণ

বড় আমড়া তিনটি, নারকেলের দুধ পাঁচ কাপ,

লবণ স্বাদমতো, চিনি সিকি চা চামচ, কাঁচা মরিচ আস্ত চারটি,

আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, সয়াবিন তেল সিকি কাপ, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, ধনে গুঁড়া এক চা চামচ, জিরা গুঁড়া এক চা চামচ, হলুদ গুঁড়া সামান্য এবং লাল মরিচ গুঁড়া স্বাদমতো।

আমড়া আনারসের মুখরোচক পদ

যেভাবে তৈরি করবেন

১    প্রথমে আমড়া খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন। চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে সয়াবিন তেলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা ভেজে সব বাটা আর গুঁড়া মসলা দিয়ে ভালো করে কষান।

২.   এরপর আমড়া দিয়ে ভালো করে কষান। এবার নারকেলের দুধ দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে সময় নিয়ে রান্না করুন।

৩.   আমড়া সিদ্ধ হয়ে ঝোল হালকা ঘন হয়ে এলে নামানোর আগে কাঁচা মরিচ ও চিনি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com