ঘরে সবুজ পরিবেশ তৈরি করতে ইনডোর প্ল্যান্টস দিয়ে সাজাতে পারেন। এগুলো আপনার ঘরের বাতাসকে দূষণমুক্ত রাখবে।পাশাপাশি ঘরের সৌন্দর্য বাড়াবে। বিভিন্ন মানি প্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট, স্পাইডার প্ল্যান্ট, লাকি ব্যাম্বু, মনস্টার প্ল্যান্ট, পিচ লিলি, চায়নিজ এভার গ্রিন, হার্ট লিফ, প্যাথোস, সিঙ্গোনিয়াম, কয়েন প্ল্যান্ট ইত্যাদি সবুজ গাছ ঘরের কোণে, দেয়ালে, বারান্দায় মাটিতে অথবা পানিতে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখলে ঘরের সৌন্দর্য বাড়ে। পানিতে লাল, সাদা, হলুদ এমন রঙিন পাথর রাখতে পারেন। রাজধানীর মতিঝিলে টিএন্ডটি কলেজের সম্মুখে, বিভিন্ন বৃক্ষমেলায় এবং সারা দেশের বিভিন্ন নার্সারিতে ইনডোর প্ল্যান্টস পাবেন।রকমভেদে দামে তফাত্ দেখা যায়।

অ্যাকোয়ারিয়াম
ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের অ্যাকোয়ারিয়াম বাজারে পাওয়া যায়। বিভিন্নভাবে অ্যাকোয়ারিয়াম সাজিয়ে ঘরে রাখতে পারেন। ঘরের সৌন্দর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।গোল্ড ফিশ, গাপ্পি, অ্যাঞ্জেল ফিশ, ডিসকাস, প্লেকো মাছ, ক্যাট ফিশ ইত্যাদি রঙিন মাছ অ্যাকোয়ারিয়ামে রাখতে পারেন। প্লেকো, অ্যালগি-ইটার অ্যাকোয়ারিয়ামের ভেতরের ময়লা খেয়ে পানি পরিষ্কার রাখে। এসব মাছ রাখলে বারবার অ্যাকোয়ারিয়ামের পানি বদলাতে হয় না। বরং সহজেই ঘরের পরিবেশ রঙিন করে তোলা যায়। অ্যাকোয়ারিয়ামকে রঙিন করতে ছোট ছোট প্লাস্টিকের গাছ, নুড়ি পাথর ইত্যাদি রাখতে পারেন।একদম প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করতে অ্যাকোয়ারিয়ামের তলে পাথরের সঙ্গে বালু রেখে অঙ্কুরোদগমক্ষম বীজ রেখে মাইক্রোগ্রিন উত্পন্ন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে চিয়াবীজ নিতে পারেন। সারা দেশে বিভিন্ন জায়গায় পশুপাখির দোকান রয়েছে। এসব দোকানে অ্যাকোয়ারিয়ামের সব প্রয়োজনীয় উপকরণ পাবেন।একদম প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করতে অ্যাকোয়ারিয়ামের তলে পাথরের সঙ্গে বালু রেখে অঙ্কুরোদগমক্ষম বীজ রেখে মাইক্রোগ্রিন উত্পন্ন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে চিয়াবীজ নিতে পারেন। সারা দেশে বিভিন্ন জায়গায় পশুপাখির দোকান রয়েছে। এসব দোকানে অ্যাকোয়ারিয়ামের সব প্রয়োজনীয় উপকরণ পাবেন।একদম প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করতে অ্যাকোয়ারিয়ামের তলে পাথরের সঙ্গে বালু রেখে অঙ্কুরোদগমক্ষম বীজ রেখে মাইক্রোগ্রিন উত্পন্ন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে চিয়াবীজ নিতে পারেন। সারা দেশে বিভিন্ন জায়গায় পশুপাখির দোকান রয়েছে। এসব দোকানে অ্যাকোয়ারিয়ামের সব প্রয়োজনীয় উপকরণ পাবেন।
বাহারি বাতি
বসার ঘরে বড় ও আকর্ষণীয় স্যান্ডেলিয়ার বা ঝালর লাগাতে পারেন। এটি পুরো বসার ঘরকে রাজকীয়ভাবে আলোকিত করবে। বিভিন্ন ধরনের স্যান্ডেলিয়ার বাজারে পাওয়া যায়। ক্রিস্টাল পাথরের, কাচের, বিভিন্ন মেটালের স্যান্ডেলিয়ার ইত্যাদি। সাইজ ও ম্যাটেরিয়াল ভেদে এগুলোর পার্থক্য আছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রঙিন বাতি দিয়ে ঘর সাজাতে পারেন। বসার ঘর কিংবা শোবার ঘরে পর্দার স্ট্যান্ডে, ড্রেসিং টেবিলের চারপাশে রঙিন বা সাদা বাতি জ্বালিয়ে ঘর সাজাতে পারেন। এ ধরনের বাতি সারা দেশে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকানে এবং বিভিন্ন অনলাইন শপে পাওয়া যায়।
মেঝের সাজ
ঘরের সৌন্দর্য অনেকখানি নির্ভর করে মেঝের ওপর। মেঝে সাজাতে টাইলস লাগাতে পারেন। ফ্লোর ম্যাট বা রেক্সিন লাগাতে পারেন। বিভিন্ন রঙের ও নকশার ফ্লোর ম্যাট, মাদুর, পাপস পাওয়া যায় বাজারে। এগুলো মেঝের সৌন্দর্য বাড়ায়। আপনার ঘরের থিমের সঙ্গে মিলিয়ে এই অনুষঙ্গগুলো বাছাই করতে পারেন।
বেড কাভার ও পর্দা
ঘরের থিমের সঙ্গে মিলিয়ে বেড কাভার ও পর্দা বাছাই করতে পারেন। আপনার ঘর রঙিন থিমের হলে রঙিন পর্দা ও বেড কাভার দিয়ে ঘর সাজাতে পারেন। ঘরের থিম সাদাসিধা হলে পর্দা ও বেড কাভার অফহোয়াইট, বাদামি, ধূসর—এ রকম হালকা রং বাছাই করতে পারেন। পর্দা, বেড কাভার ও সোফার কাভারের রং এক হলে ঘর বেশি সুন্দর দেখায়।
ডেকোরেটিভ পিস
ঘরের রং ও আকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে দেয়াল সাজানোর ডেকোরেটিভ পিস কিনতে পারেন। এ ছাড়া কর্নার শোকেস সাজাতে ছোট ছোট শোপিস রাখতে পারেন। খাটের সাইড টুলে সুন্দর ল্যাম্প রাখতে পারেন। আপনার ঘর আধুনিক থিমের হলে কাচের ল্যাম্প রাখলে বেশি মানাবে। ঘরের সব আসবার বাঁশ বা বেতের তৈরি হলে ডেকোরেটিভ পিস হিসেবে কাগজের হস্তশিল্পের ল্যাম্প ব্যবহার করতে পারেন।