সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পুরোপুরি অটোমেশনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ ব্যবস্থা চালু হলে গ্রাহকরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ঘরে বসেই সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। একই সঙ্গে অনলাইনে মুনাফা পাওয়ার সুযোগও তৈরি হবে।
অর্থ বিভাগের সরকারি ঋণ ও আর্থিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের অভ্যন্তরীণ ঋণ ব্যবস্থাপনা শাখার এক সভার কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
২০২৬ আগস্ট ১১ ০৮:৩০:২৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পুরোপুরি অটোমেশনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ ব্যবস্থা চালু হলে গ্রাহকরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ঘরে বসেই সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। একই সঙ্গে অনলাইনে মুনাফা পাওয়ার সুযোগও তৈরি হবে।
অর্থ বিভাগের সরকারি ঋণ ও আর্থিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের অভ্যন্তরীণ ঋণ ব্যবস্থাপনা শাখার এক সভার কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সম্পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এর অংশ হিসেবে সেলফ সার্ভিস মডিউল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রাহক নিজেই ঘরে বসে সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
নতুন ব্যবস্থায় জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের অনলাইন সিস্টেমের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সঞ্চয়পত্র কেনার সময় গ্রাহকের দেওয়া ব্যাংক হিসাবের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে।
হিসাব যাচাইয়ের পর পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা যাবে। ফলে সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য গ্রাহককে ব্যাংক বা সঞ্চয় অফিসে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে না।
এ ব্যবস্থায় ব্যাংক হিসাবের মালিকানাও যাচাই করা যাবে। ফলে অন্যের ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে সঞ্চয়পত্র কেনা কিংবা ভুল ও ভুয়া তথ্য দেওয়ার সুযোগ কমবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করছে সরকার।
সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত এক সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা জানান, ইতোমধ্যে iBAS++ সিস্টেমে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) ব্যবহার করে ব্যাংক হিসাব যাচাই করা হচ্ছে। বর্তমানে এ যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় ১০ মিনিট সময় লাগে। ভবিষ্যতে এটি রিয়েল টাইমে করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ পদ্ধতিতে গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব নম্বর ও মালিকানা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ফলে ভুল তথ্য দিয়ে সঞ্চয়পত্র কেনা এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ঠেকাতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।