উৎসব উৎসব লাগছে।
উৎসব উৎসব লাগছে।
আপনি কোন দলের সমর্থক?
ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। মেসিকে আমি ফুটবলের বরপুত্র বলি।
‘পাড়ার বিশ্বকাপ’ ধারাবাহিকের গল্পটা কেমন?
খুব মজার। ফুটবল নিয়ে আমরা যে কত আবেগী সেটা ফুটে উঠবে এখানে। পাড়ার ছেলে-মেয়েরা ভাগাভাগি হয়ে নিজেদের সমর্থন অনুযায়ী দল গঠন করে। তারাও মাঠে খেলে। হাসি-ঠাট্টা, দ্বন্দ্ব আবার ভালোবাসা—সবই আছে নাটকটিতে।
আপনার চরিত্রটি কেমন?
ভালো কথা, আমি নাটকটিতে ব্রাজিল সমর্থকের চরিত্র করেছি, যেটা বাস্তব জীবনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাকে বাস্তবে কোটি টাকা দিলেও কিন্তু ব্রাজিল করব না। অনেকে দেখি দুধ দিয়ে গোসল করে দল পরিবর্তন করে। এরা আসলে কারা! কিভাবে ছোটবেলার ভালোবাসা বড় হয়ে মন্দবাসা হয়ে যায়। কী করে ব্রাজিল থেকে আর্জেন্টিনা আর আর্জেন্টিনা থেকে ব্রাজিল হয় মানুষ?
নাটকটির শুটিং কবে করেছেন?
আরে সেদিন, ৬ জুন থেকে। টানা শুটিং করতে হবে। কারণ ৪০ পর্বের নাটক। বিশ্বকাপের প্রতিদিনই প্রচারিত হবে। সবাই সেভাবেই শিডিউল দিয়েছে।
আর কী কী করছেন?
বিশ্বকাপ নিয়ে আরেকটি নাটক করব, শিডিউল নিয়ে রেখেছেন পরিচালক। সবে তো ঈদ শেষ হলো। কাজের ফ্লো এখনো সেভাবে শুরু হয়নি। সামনে আরো কয়েকটি নাটকের শুটিং আছে।
এবার ঈদে আপনার কতগুলো নাটক এসেছে?
এবার আসলে আমি সেভাবে খেয়াল রাখতে পারিনি। এরমধ্যে চোখে পড়েছে ‘জামাই বউয়ের তেলেসমাতি’, ‘মধ্যবিত্তের কোরবানি’, ‘বউ শাশুড়ির ঝগড়া’, ‘বউয়ের পতন’, ‘মাটির পুতুল’, ‘জামাই কিছু বোঝে না’সহ আরো কয়েকটি। দেখলাম সবই মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে। ভালোই লেগেছে।
ঈদে অন্যদের কাজ দেখেছেন?
হ্যাঁ। অন্যদের কাজ খুব আগ্রহ নিয়ে দেখি। এবার ‘মায়াপাখি’ নাটকটা খুব ভালো লেগেছে। সিনিয়র অভিনেতারা ফিরছেন আবার, এটাও ভালো লাগছে।
বড় পর্দায় ফেরার ইচ্ছা আছে?
ভালো কিছু না হলে বড় পর্দায় ফিরব না।