সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

নজর থাকবে গোলপোস্টের প্রহরীদের দিকেও

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

বলা হয়ে থাকে, ফুটবল গোলের খেলা। যে দল বেশি গোল দেবে, দিনশেষে ম্যাচের জয়ী দল হিসেবে স্কোরবোর্ডে লেখা থাকবে তাদের নাম। কিন্তু ম্যাচ জিততে শুধু গোল করলেই চলে না, গোল ঠেকাতেও হয়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান গোলরক্ষকের। গোলপোস্টের নিচে প্রাচীর তৈরি করে প্রতিপক্ষকে উদযাপন থেকে বিরত রাখেন। বরাবরের মতো এবারও বিশ্বকাপ ভাগ্য নির্ধারণীতে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন গোলরক্ষকরা। ২০২৬ বিশ্বকাপে আলো ছড়াতে পারেন এমন চার গোলরক্ষক সম্পর্কে জেনে নিন একনজরে।
অ্যালিসন বেকার
প্রতিপক্ষের শট ঠেকানো, ক্রস নিয়ন্ত্রণ কিংবা বিল্ডআপে ভূমিকা রাখা– এসব বিবেচনায় নিলে এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক ব্রাজিলের অ্যালিসন বেকার। ওয়ান-টু-ওয়ানে ৩৩ বছর বয়সী গোলকিপারকে ফাঁকি দেওয়া সহজ নয়। লিভারপুলের জার্সিতে সর্বশেষ মৌসুমে ৩৪ ম্যাচ খেলা অ্যালিসন ১৩ ম্যাচে কোনো গোল হজম করেননি। আনচেলত্তি যদি দলকে হাইলাইন ডিফেন্স খেলান, সে ক্ষেত্রেও পেছনের ফাঁকা জায়গা পূরণে ভরসা হয়ে উঠতে পারেন অ্যালিসন। ট্যাকটিক্যালি বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হলেও অ্যালিসনের দুর্বলতার জায়গা পেনাল্টি শুটআউট!

থিবো কোর্তোয়া
১.৯৯ মিটার উচ্চতার বেলজিয়ামের থিবো কোর্তোয়াকে আধুনিক ফুটবলেরই অন্যতম সেরা গোলরক্ষক মনে করা হয়। বিশাল উচ্চতার সঙ্গে অসাধারণ রিফ্লেক্স এবং দুর্ভেদ্য শট-স্টপিংয়ের জন্য কোর্তোয়ার জুড়ি মেলা ভার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সর্বশেষ মৌসুমে লা লিগায় খেলা ৩২ ম্যাচ খেলেছেন কোর্তোয়া। এর ১৩টিতেই তাঁকে ফাঁকি দিয়ে গোল আদায় করতে পারেনি প্রতিপক্ষ দল। বেলজিয়াম জাতীয় দলের জার্সিতে ১০৯ ম্যাচ খেলা কোর্তোয়া এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন।

ম্যানুয়েল নুয়ার
বয়স ৪০ পেরিয়েছে। এর পরও জার্মানির গোলপোস্টে ভরসার প্রতীক ম্যানুয়েল নুয়ার। জার্মানির ২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক শুধু গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়েই দায়িত্ব শেষ করেন না, প্রয়োজনে ডি বক্সের বাইরে এসে দলের রক্ষণভাগের শেষ প্রহরীর মতো বল ক্লিয়ার করেন। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা সুইপার-কিপার হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁকে। দুর্দান্ত রিফ্লেক্স, অসাধারণ শট স্টপিং, দারুণ ক্ষিপ্রতা, বল ডিস্ট্রিবিউশনের ক্ষমতা ও ওয়ান-টু-ওয়ান পরিস্থিতিতে পারফরম্যান্স নুয়ারকে অনন্য উচ্চতায় নিয়েছে। জাতীয় দলের জার্সিতে ১২৪ ম্যাচ খেলা নুয়ার এবার ক্যারিয়ারের পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন।

এমিলিয়ানো মার্টিনেজ
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় দল কিংবা বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ সেখানে অনন্য। আর্জেন্টিনার সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ে অ্যাস্টন ভিলায় খেলা ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। বড় ম্যাচ এলেই যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন ‘বাজপাখি’খ্যাত মার্টিনেজ। পেনাল্টি ঠেকাতেও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের জুড়ি মেলা ভার। ২০২২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডস ও ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে পেনাল্টি ঠেকিয়ে মেসির হাতে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছেন তো মার্টিনেজই! এ ছাড়া ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে কোলো মুয়ানির শট যেভাবে ঠেকিয়েছেন, বিশ্বকাপ ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা সেভের তালিকায় স্থান পেয়েছে সেটি। এবারের বিশ্বকাপেও স্কালোনির দলের বড় ভরসা আর্জেন্টিনার জার্সিতে ৫৯ ম্যাচ খেলা মার্টিনেজ।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com