হ্যাজার্ড : ২০১৪ সালে ব্রাজিলে আমার প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলি। এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা ছিল এবং আসলে সেই দলে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য সেটি ছিল দারুণ একটি শেখার জায়গা।
হ্যাজার্ড : ২০১৪ সালে ব্রাজিলে আমার প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলি। এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা ছিল এবং আসলে সেই দলে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য সেটি ছিল দারুণ একটি শেখার জায়গা।
প্রশ্ন : ২০১৮ সালে ব্রাজিলকে শেষ আটে হারানোটাই কি আপনাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা বাড়িয়ে দিয়েছিল? সেবার তো আপনি সিলভার বলও জিতেছিলেন।
হ্যাজার্ড : আমি বলব না যে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে আমি সবার চেয়ে এক ধাপ উঁচুতে ছিলাম, কারণ আমার চেয়ে ভালো খেলোয়াড় সব সময়ই ছিল।
প্রশ্ন : বিশ্বকাপ জেতার কাছাকাছি গিয়েও না পারার আক্ষেপ আছে আপনার?
হ্যাজার্ড : আমাদের দলে তখনো অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় ছিল এবং আমরা নিজেদের চিনতাম খুব ভালোভাবেই। তরুণ খেলোয়াড়রাও কড়া নাড়ছিল দলে জায়গা পেতে। আমি বলছি না যে আমরা পার হয়ে গেলে (ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনাল) বিশ্বকাপ জিতে যেতাম, তবে আমরা খুব বেশি দূরেও ছিলাম না।
প্রশ্ন : আপনাদের সেই দলকে বলা হয় সোনালি প্রজন্ম। তারা বিশ্বকাপ জিততে না পারায় এখন কি তা আরো কঠিন হয়ে গেছে?
হ্যাজার্ড : সোনালি প্রজন্ম, রুপালি প্রজন্ম—আপনারা বলতে পারেন যা খুশি। আমরা জানতাম যে আমাদের দলে দুর্দান্ত একঝাঁক খেলোয়াড় আছে, যারা শীর্ষ ক্লাবগুলোর হয়ে প্রতিবছর শিরোপা জিতছিলাম। আমাদের সবার বয়সও কাছাকাছি ছিল এবং আমরা পরিণত হয়ে উঠছিলাম একই সময়ে। হ্যাঁ, বিশ্বকাপ এমন একটি ট্রফি যা জেতা খুব কঠিন। আমরা এটি জিততেও পারতাম! তবে আমাদের যাত্রাটি চমৎকার ছিল। ২০১৮ সালে আমরা যা করেছি, তার জন্য দল এবং পুরো দেশ অত্যন্ত গর্বিত।
প্রশ্ন : বর্তমান দলটিকে নিয়ে আপনি কী প্রত্যাশা করছেন?
হ্যাজার্ড : এতে কোনো সন্দেহ নেই যে বেলজিয়াম এই গ্রুপের সেরা দল। তবে প্রথম ম্যাচটি কখনোই সহজ হয় না। বর্তমান দলটি অভিজ্ঞ পুরনো সৈনিক এবং উঠে আসা নতুন প্রজন্মের একটি মিশ্রণ। এবার তাদের ফেভারিট হিসেবে গণ্য না করার বিষয়টি আসলে তাদের আরো স্বাধীনতা ও মানসিক স্বস্তি নিয়ে খেলতে সাহায্য করবে। অবশ্যই বেলজিয়ামের মানুষের প্রত্যাশা অনেক উঁচুতে, তবে ২০১৮ ও ২০২২ সালের তুলনায় এবার তা কিছুটা কম।