অতিরিক্ত ঢেকুর কিন্তু এসিড রিফ্লাক্স কিংবা পাকস্থলীতে আলসারের লক্ষণ প্রকাশ করে। এতে বুকের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়। এ ছাড়া বেশি মাত্রায় খাওয়া, স্থূলতা এবং অতি মসলাদার খাবারে ঢেকুরে ওঠে।
অন্ত্রনালিতে কোনো সমস্যা হলে ঢেকুর ওঠে বারবার। অন্ত্রনালি কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এমনটা ঘটে। আবার কেউ আইবিএস (ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম) দেখা দিলে অস্বাভাবিকভাবে ঢেকুর ওঠে। পেঁয়াজ, টমেটো, টকজাতীয় ফল এবং কৃত্রিম চিনি মিশ্রিত খাবার খেলেও ঢেকুর ওঠে। তা ছাড়া যে খাবার বা পানীয়ই খান না কেন, ভরপেট খেয়ে ফেললে ঢেকুর উঠতেই পারে। মানসিক চাপে থাকলেও কারও কারও ঢেকুর ওঠে। খাওয়ার সময় তাড়াহুড়া করলে খাওয়ার পর বারবার ঢেকুর উঠতে থাকে। চুইংগাম চিবানোর সময় কিংবা শক্ত লজেন্স চুষে খাওয়ার সময়ও খাদ্যনালিতে বাতাস ঢুকে যায়। সে ক্ষেত্রেও এমনটা হতে পারে। সিগারেট খাওয়ার সময়ও ঘটে একই ঘটনা।
কিছু রোগবালাই, যেমন বদহজম, গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ, হায়াটাস হার্নিয়া (এসব রোগে পাকস্থলী থেকে ওপরের দিকে খাবার বা অম্ল উঠে আসে) কিংবা আইবিএস (ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম), পাকস্থলীর আলসার ও সংক্রমণের ক্ষেত্রে রোগের উপসর্গ হিসেবেই ঢেকুর ওঠে। তাই প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।