সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

হামে চোখের যেসব ক্ষতি হতে পারে

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

করোনা, ডেঙ্গু মহামারির পর বর্তমানে আমরা বাংলাদেশিরা যে রোগটি নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হচ্ছি সেটি হচ্ছে শিশুদের হাম।
হাম সাধারণত শিশুদেরই হয়। বড়দেরও হয়, তবে সেটির সংখ্যা অনেক কম। হাম ভাইরাসজনিত রোগ, যার নাম মিজিলস ভাইরাস। এটি বাতাসে উড়ে ও শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে এই রোগের লক্ষণ দেখা যায়।
শরীরের লক্ষণের সঙ্গে সঙ্গে রোগটি শরীরে প্রথম যে অঙ্গ আক্রান্ত করে তাহলে চোখ। রোগের বেশি জটিলতায় মাথার ব্রেনের পর্দার রোগ মেনিনজাইটিস বা ম্যানিংগো এনকেফেলাইটিস, মুখের লালা তৈরি করার প্যারোটিড গ্ল্যান্ড বা মাথার পেছনের মাস্টোয়েড হাড়ের ভেতরে প্রদাহ, নিউমোনিয়া, অগ্ন্যাশয় প্রদাহ, ছেলেদের অণ্ডকোষ কিংবা মেয়েদের ওভারি প্রদাহ হয়ে স্থায়ী বন্ধ্যত্ব হতে পারে।
চোখে কী কী সমস্যা দেখা দেয়: হামের প্রধান সমস্যা হলো ভাইরাসজনিত চোখ ওঠা। চোখের সাদা অংশজুড়ে পাতা ঝিল্লি পর্দা; যা নেত্র পর্দা বা Conjuntiva সেটিই প্রথম আক্রান্ত হয়। চোখ লাল, খচ খচ করে, পিছুটি পানিতে চোখ ভরে থাকে, চোখের পাপড়ি খুলতে কষ্ট হয়, আলো সহ্য হয় না।
এগুলো সমস্যার চাইতেও ভয়াবহ সমস্যা হলো হাম ভাইরাসে ভিটামিন এ (Vitamin A) দ্রুত কমে যায়; যা শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ভাইরাস ভিটামিন-এ শুষে নেয়। ফলে ভিটামিন-এ’র অভাবে নেত্র পর্দা, দেহের চামড়া শুকনা খসখসে, চোখের কর্ণিয়া অস্বচ্ছ হয়ে ঘোলা ও রাতকানা হতে পারে; যা জেরঅথালমিয়া এবং বেশি খারাপ হলে চোখের শ্বেত পোটল বা Sclera নরম হয়

চুপসে
ক্যারাটোমালেয়েশিয়া; যা অত্যন্ত ভয়াবহ রোগ। এমনটি হলে শিশুটি চিরদিনের মতো অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
চিকিৎসা: হাম যে কত ভয়াবহ তা ইতোমধ্যে বুঝতে পেরেছি আমরা। শত শত অবুঝ শিশু মূল্যবান প্রাণ হারিয়েছে।
শরীরে চিকিৎসার সঙ্গে চোখ ওঠার চিকিৎসা করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর ভিটামিন এ বা হলুদ লাল ফলমূল খাওয়াতে হবে। কখনও চিকিৎসকের বিনা অনুমতিতে কোনো ড্রপ ব্যবহার করা যাবে না।
যেহেতু হাম ছোঁয়াচে রোগ তাই রোগীকে আলাদা ঘরে কিংবা হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে হবে। সরকার ইপিআই কর্মসূচির অধীনে সারাদেশে শিশুদের মধ্যে হামের টিকার ব্যবস্থা করে থাকে; যা গ্রহণ থেকে কেউ যেন বিরত না থাকে।
[চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ফেকো সার্জন]

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com