
পেশাগত কারণ; যেমন—কারখানার রাসায়নিক দ্রব্য, ঝাঁজালো গন্ধ বা দুর্গন্ধ এবং কারখানার পরিবেশ অ্যাজমার কারণ হতে পারে।
অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকা
অ্যাজমার কারণ হতে পারে অ্যালার্জি। তাই অ্যালার্জি হয় এমন সবকিছু থেকে দূরে থাকতে হবে। কোনো খাবারে অ্যালার্জি হলে সেগুলো পরিহার করুন।
মাস্ক ব্যবহার
বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক বা স্কার্ফ পরিবেশগত হাঁপানির কারণ এড়াতে সাহায্য করতে পারে। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাইরে না যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। ধূলাবালি, ধোঁয়া, পরাগরেণু ও প্রাণীর লোম থেকে দূরে থাকুন।
ট্রিগার থেকে দূরে থাকা
ব্যথানাশক বিভিন্ন ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপের বিভিন্ন ওষুধ অ্যাজমা ট্রিগার করে। এগুলো পরিহার করুন। আপনার অ্যাজমা উদ্রেককারী কারণগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো এড়িয়ে চলুন। ধূমপান পরিহার করুন।
মানসিক চাপমুক্ত থাকা
মানসিক চাপ কমাতে হবে। মানসিক চাপ কমানোর বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করুন। মেডিটেশন, শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত ঘুম অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা
ঘরবাড়ি, বিছানা, বালিশ, মশারি এবং ব্যবহূত পোশাক সব সময় পরিষ্কার রাখুন। মশার কয়েল কিংবা এরোসল স্প্রে থেকে দূরে থাকুন। ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করার সময় সেখানে অবস্থান করবেন না।
পুষ্টিকর খাবার
নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার; যেমন—মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, শাক-সবজি ও ফলমূল খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেসব খাবারে অ্যালার্জি উদ্রেক হয় সেগুলো খাদ্যতালিকা থেকে ছেঁটে ফেলুন। সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়ক।
শরীরচর্চা
নিয়মিত ব্যায়াম ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ও শ্বাস-প্রশ্বাসের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। তবে হাঁপানি থাকলে নিরাপদে ব্যায়াম করা উচিত। প্রথমে ওয়ার্ম আপ করুন। ব্যায়াম শেষ করার পর কমপক্ষে ১০ মিনিট শরীর শিথিল করুন। হঠাত্ করে ব্যায়াম বন্ধ করা অনুচিত। শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার সময় দিন।
ঘরোয়া টোটকা
পেঁয়াজ যেকোনো প্রদাহজনিত রোগ উপশমে খুবই উপকারী। তা ছাড়া নাসাপথ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্ট দূর করতে কাটা পেঁয়াজ খেয়ে দেখতে পারেন। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এক গ্লাস পানির মধ্যে লেবুর রস ও সামান্য চিনি দিয়ে রোজ খেয়ে দেখতে পারেন। হাঁপানির কষ্ট অনেক কম হবে।