মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মোকতারের ক্যালিগ্রাফিতে উজ্জ্বল ‘কিসওয়া’

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র কাবার গিলাফকে আরবিতে বলে ‘কিসওয়া’। কাবার গিলাফে সোনার হরফে আরবি ক্যালিগ্রাফি আঁকেন এক বাংলাদেশি। তাঁর নাম মোকতার আলম শিকদার। কিসওয়া বা কাবার ঘরের গিলাফ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ক্যালিগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন তিনি।

সৌদি হারামাইন পরিষদের চেয়ারম্যান, পবিত্র কাবার প্রধান ইমাম শায়খ আবদুর রহমান আস সুদাইস মোকতার আলম শিকদারের হাতে এ-সংক্রান্ত চিঠি হস্তান্তর করে তাঁকে বিশেষ সম্মাননাও দিয়েছেন। সৌদি গেজেট সূত্রে এ খবর জানা যায়।

কাবার প্রধান ইমাম শায়খ আবদুর রহমান আস সুদাইস মোকতার আলম শিকদারকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছেন ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষিত ‘ভিশন-২০৩০’-এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন পেশার দক্ষ বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে রাজকীয় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে মোকতার আলমের পরিচয়ে বলা হয়, তিনি মক্কার কিসওয়া কারখানায় পবিত্র কাবার কিসওয়ার প্রধান ক্যালিগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন। সৌদি আরবসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রদর্শনীতে তাঁর ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শিত হয়েছে। মোকতার আলম মক্কার উম্মুল কোরা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে বর্তমানে পিএইচডি গবেষণা করছেন।

মোকতার আলম শিকদার ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার রশীদেরঘোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯২ সালে তিনি মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্পকলা বিষয়ে স্নাতক করেন।

২০০১ সালে তিনি স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্পকলা বিষয়ে শিক্ষকতা করেন। ২০০২ সাল থেকে তিনি পবিত্র কাবা ঘরের গিলাফ কিসওয়া প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। মোকতারের বাবার নাম মুফিজুর রহমান বিন ইসমাঈল শিকদার। মায়ের নাম শিরিন বেগম। তাঁর বাবা কর্মজীবনের শুরুতে কিছুদিন ঐতিহ্যবাহী চুনতি হাকিমিয়া আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি দীর্ঘ সময় সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফার্মাসিস্ট হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেন। মূলত বাবার কর্মসূত্রে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় সৌদিতে কাটিয়েছেন।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com