ঘরে যদি বড় এসি থাকে, তাহলে ভিন্ন কথা। কিন্তু ড্রয়িংরুমের আড্ডায় কিংবা ডাইনিংয়ের খাবার টেবিলে ঠাণ্ডা বাতাসের ছোঁয়া পেতে কাজে দেয় পোর্টেবল এসি কিংবা এয়ারকুলার। এগুলোতে থাকা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সুবিধা ঘরের ধুলা-ময়লা টেনে নিয়ে শীতল বাতাস ছড়িয়ে দেয়। এতে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা থেকেও রেহাই মেলে।
বেশ কয়েক বছর ধরেই এসি ও পোর্টেবল এয়ারকুলার বাজারজাত করছে ভিশন ইলেকট্রনিকস। ভিশন ব্র্যান্ডের মিরপুর-১০ শাখার ব্যবস্থাপক মো.মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এসির পাশাপাশি ছোট আকৃতির বহনযোগ্য এয়ারকুলারগুলো বেশ জনপ্রিয়, ব্যবহারেও সুবিধাজনক। বড় এসি একেবারে নির্দিষ্ট জায়গায় সেট করা থাকে। চাইলে যখন-তখন সরানো যায় না।
পোর্টেবল এসি কিংবা এয়ারকুলারে সুবিধামতো যেকোনো ঘর, বারান্দা, ড্রয়িং, ডাইনিংয়ে ব্যবহার করা যায়।’ এয়ারকুলারে আলাদা করে পানি দিতে হয় পোর্টেবল এসি বা এয়ারকুলারগুলোর কিছু মডেলে চাকা লাগানো থাকে। এ জন্য সহজে সরানো যায়। পুরু হানিকম প্যাড, আয়োনাইজার, ইভাপোরেটিভ ও মিস্ট ফাংশনগুলো দেখে এয়ারকুলার কেনা উচিত।
মিস্ট ফাংশনযুক্ত এয়ারকুলারে বাষ্প বেশি হয়। ফলে ঘরের আসবাব নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে। এগুলো বারান্দা, ব্যালকনি বা ছাদে ব্যবহার করা নিরাপদ। পোর্টেবল এসি অথবা এয়ারকুলার নাড়াচাড়া বেশি হয়। ফলে হাতের ছাপসহ ধুলাবালি ও ময়লা পড়ে।
এ জন্য ওপরের অংশ নিয়মিত শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। দাগ পড়লে সাদা কাপড়ে ভিনেগার লাগিয়ে মুছে নিন। এসি ও এয়ারকুলারের ফিল্টার মাসে একবার পরিষ্কার করুন। কুসুম গরম পানিতে ডিশ ওয়াশার মিশিয়ে ফিল্টার ধুয়ে নিতে পারেন। কোথায় পাবেন, কেমন দাম ভিশন, ওয়ালটন, গ্রি, শাওমি, শার্পসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এয়ারকুলার ও এসি পাওয়া যায়। এয়ারকুলারের দাম পাঁচ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা। পোর্টেবল এসির দাম ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা।