প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তরমুজে পানি পাওয়া যায় ৯২ থেকে ৯৫ গ্রাম, আঁশ ০.২ গ্রাম, আমিষ ০.৫ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, ক্যালরি ১৫-১৬ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১০ মিলিগ্রাম, আয়রন ৭.৯ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৫ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.২ গ্রাম, ফসফরাস ১২ মিলিগ্রাম এবং নিয়াসিন ০.২ মিলিগ্রাম।
আয়ুর্বেদিক প্রতিষ্ঠান হার্বোকেয়ার বিডির স্বত্বাধিকারী মো. শরিফুল ইসলাম লিমন জানালেন তরমুজের উপকারী নানা গুণের কথা।
তাৎক্ষণিক শক্তির উৎস
শরীরে তাত্ক্ষণিক শক্তি জোগায় তরমুজ।
পানিশূন্যতা দূর করে
তরমুজে প্রচুর পরিমাণ পানি পাওয়া যায়। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়, তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকে।
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে
তরমুজে রয়েছে প্রচুর ক্যারোটিনয়েড। উপাদানটি রাতকানা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
তরমুজে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়ামের চাহিদাও পূরণ করে।
কিডনির সুস্থতায়
তরমুজের রস কিডনির বর্জ্য মুক্ত করে। এ জন্য কিডনি ভালো রাখতে নিয়মিত ডাবের পানির পাশাপাশি তরমুজ খাওয়া ভালো। তা ছাড়া তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় কিডনির কার্যক্রম সচল রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
কোলেস্টেরল কমায়
তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো এসিড, যা শরীরের কোলেস্টেরল ও চর্বি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে জমে থাকা কোলেস্টেরল কমাতেও সহায়তা করে।
ব্যথা নিরাময়ে
ব্যথা নিরাময় ও শরীরের কোষের সুরক্ষায় তরমুজ উপকারী। এতে থাকা ভিটামিনি সি শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত ও ব্যথা নিরাময় করে। ত্বক ও মাংসপেশির সুরক্ষায় প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
হূদযন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন
সঠিকভাবে হূদযন্ত্রে রক্তপ্রবাহ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরমুজ হূদযন্ত্রে সঠিকভাবে রক্তপ্রবাহে সহায়তা করে। ফলে হূদযন্ত্রে ব্লক হওয়ার প্রবণতা অনেকটা হ্রাস পায়।
হাড় মজবুত করে
তরমুজে রয়েছে লাইকোপিনো নামক লাল উপাদান, যাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। আমাদের হাড় গঠন ও মজবুত করতে উপকার করে ক্যালসিয়াম। এ জন্য নিয়মিত তরমুজ খেতে পারেন।