আয়াতের অর্থ
‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর কুঞ্জি তাঁরই নিকট। তিনি যার জন্য ইচ্ছা তার রিজিক বর্ধিত করেন এবং সংকুচিত করেন। তিনি সব বিষয়ে সবিশেষ অবহিত। তিনি তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন দ্বিন, যার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি নুহকে, আর যা আমি ওহি করেছি তোমাকে এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইবরাহিম, মুসা ও ঈসাকে এই বলে যে তোমরা দ্বিন প্রতিষ্ঠিত করো এবং তাতে মতভেদ কোরো না।
তুমি মুশরিকদের যার প্রতি আহবান করছ তা তাদের কাছে দুর্বহ মনে হয়।…’
(সুরা : আশ-শুরা, আয়াত : ১২-১৩)
আয়াতদ্বয়ে নবী-রাসুলদের অভিন্ন বিধান সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা ও বিধান
১. মানুষ জীবিকার জন্য, দুনিয়ার জন্য আল্লাহকে ভুলে দুনিয়ার পেছনে ছোটে। অথচ আসমান-জমিনের ধনভাণ্ডারের চাবিকাঠি আল্লাহর হাতে।
২. কাতাদা (রহ.) বলেন, ‘নুহ (আ.)-কে যে নির্দেশ দিয়েছিলেন’ দ্বারা হালালকে হালাল বলা এবং হারামকে হারাম বলা উদ্দেশ্য।
৩. হাকিম (রহ.) বলেন, এর দ্বারা মা ও বোনের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম হওয়া উদ্দেশ্য।
৪. সব নবী-রাসুলের অভিন্ন কয়েকটি মিশন দ্বিন প্রতিষ্ঠা করা, বিছিন্নতা পরিহার করা, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্যের ভিত্তিতে সমাজ গড়া।
৫. দ্বিনের ব্যাপারে সব অস্পষ্টতা দূর হওয়ার পরও অবিশ্বাসীরা বিদ্বেষবশত ঈমান গ্রহণ করে না।
(জাদুল মাসির : ৭/২৭৬)