সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মাম্পস: লক্ষণ, সংক্রমণ ও প্রতিরোধের পূর্ণাঙ্গ ধারণা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

মানবদেহে লালা নিঃসরণকারী তিন ধরনের গ্রন্থি রয়েছে, যেগুলোকে সালিভারি গ্ল্যান্ড বলা হয়। এই গ্রন্থিগুলো লালা তৈরি করে, যা খাদ্য হজমে সহায়তা করে এবং মুখের ভেতর আর্দ্রতা বজায় রাখে। যখন এসব গ্রন্থিতে সংক্রমণ ঘটে, তখন তা স্বাভাবিক কাজ করতে ব্যর্থ হয় এবং বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়।

প্যারোটিড গ্রন্থি হলো লালাগ্রন্থির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা কানের নিচে ও চোয়ালের পেছনে অবস্থিত। এই গ্রন্থিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। ভাইরাসজনিত সংক্রমণকে মাম্পস বলা হয়, যা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

মাম্পস ভাইরাস সাধারণত শ্বাসনালির মাধ্যমে ছড়ায়। লক্ষণ প্রকাশের দুদিন আগে থেকে এবং লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর প্রায় পাঁচ দিন পর্যন্ত এটি সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই আক্রান্ত শিশুকে এ সময় স্কুলে না পাঠানোই নিরাপদ।

রোগের প্রধান লক্ষণ হলো গালের দুই পাশে প্যারোটিড গ্রন্থির ফোলা ও তীব্র ব্যথা। কখনও এক পাশেও ফোলা হতে পারে। জ্বর, গিলতে কষ্ট, খেতে অসুবিধা, কথা বলতে সমস্যা এবং মুখে দুর্গন্ধ দেখা যায়।
চিকিৎসায় ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল ব্যবহার করা হয়। প্রতিরোধের জন্য এমএমআর টিকা অত্যন্ত কার্যকর। শিশুদের ১২ থেকে ১৮ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং চার থেকে ছয় বছর বয়সে বুস্টার ডোজ দেওয়া উচিত।
লেখক : নাক-কান-গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও হেড-নেক সার্জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com