গোসল
গরমের সময় প্রধান সমস্যা হয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা নিয়ে। এ সময় শরীর ঘামে বেশি, দুর্গন্ধ বের হয়। ধুলা-ময়লার কারণে শরীরে সহজে ময়লা জমে যায়। এ জন্য গরমে দিনে অন্তত দুইবার গোসল করুন।
পাউডার
শরীরের বিশেষ কিছু জায়গা ঘাম জমে স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়ে।
পোশাক ও জুতা
গরমের দিনে অবশ্যই ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। এতে পোশাকের মধ্য দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারবে। ঘাম কম হবে। ত্বকও আরাম পাবে। এ সময় পা ঢাকা জুতার বদলে স্যান্ডেল পরার চেষ্টা করুন।
সাজ
ছিমছাম সাজ বেছে নিন। ভারী মেকআপ গরমে বেমানান। হালকা মেকআপ বা বিবি ক্রিম ব্যবহার করুন। নো মেকআপ লুক গরমে ত্বকের জন্য আরামদায়ক।
সানস্ক্রিন
রোদে গরমে ত্বকের বন্ধু হচ্ছে সানস্ক্রিন। বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই মুখমণ্ডল, গলা, বুকসহ ত্বকের খোলা অংশে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করুন। ভালো মানের এসপিএফযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। দিনে অন্তত তিন-চারবার সানস্ক্রিন মাখা উচিত।

ছাতা ও রোদচশমা
সানস্ক্রিন মাখলেই যে ত্বকে রোদে পোড়াভাব আসবে না এমন নয়। সানস্ক্রিনের কাজ ত্বককে রোদের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করা। রোদের হাত থেকে বাঁচতে ছাতা ও রোদচশমা ব্যবহার করুন। ইউভিএফ প্রতিরোধক ছাতা পাওয়া যায় বাজারে। এগুলো বেশ কাজে দেবে। চোখে বড় আকারের রোদচশমা পরুন।

পানি
রোদে গরমে ঘামের সঙ্গে শরীরের পানি বের হয়ে যায়। এতে শরীর তো বটেই, ত্বকও পানিশূন্যতায় ভোগে। শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে বাঁচাতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। দিনে অন্তত দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করুন। এ ছাড়া বিভিন্ন ফলের রস, লেবুর শরবত ও ডিটক্স ওয়াটার গরমে ত্বকের জন্য আরামদায়ক।
নিয়মিত যত্ন
গরমে নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিতে হবে। রোদ থেকে ঘরে ফিরেই মুখে প্রচুর ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা নিন। ত্বকে আরাম মিলবে। শসার রস বা গোলাপজল তুলায় ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। এটি বারবার ত্বকে চেপে চেপে লাগালে আরামদায়ক অনুভূতি দেবে। আইসবার পাতলা কাপড়ে জড়িয়ে ত্বকের ওপর মৃদুভাবে ঘষলে জ্বালাপোড়া ভাব কমাতে সাহায্য করবে। ঘরে তৈরি স্ক্রাব বানিয়ে দিনে দুইবার ত্বক পরিষ্কার করুন।