সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ছোট্ট জারার বৈশাখী মেলা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ছোট্ট সারা দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। পড়াশোনা করতে খুব ভালোবাসে। তবে বেড়াতে যেতেও সে খুব পছন্দ করে। শহুরে জীবন আর মা-বাবার ব্যস্ততার কারণে সে তেমন কোথাও যাওয়ার সুযোগ পায় না। সারার ঘুরতে যাওয়া মানেই পার্কে যাওয়া। তবে এবারে বাবা ঠিক করলেন সারাকে তাদের গ্রামের বাড়ি নিয়ে যাবেন। সারা আগে কখনও গ্রামে যায়নি। তাই এ কথা শুনে সে দারুণ খুশি। স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে অনেক গল্প করবে তার গ্রাম নিয়ে। খুশিতে যেন রাতে আর ঘুম-ই আসে না।
পরদিন খুব ভোরে সারা তার মা-বাবার সঙ্গে গ্রামের উদ্দেশে রওনা দিল।
গ্রাম দেখে খুবই অবাক সে। কী সুন্দর! চারদিকে গাছগাছালি। কতো রকমের গাছ। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে নদী। যেন এক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি। নানা রকমের পাখি। বাবা বললেন, ‘আমাদের গ্রামের বৈশাখী মেলাটা খুব বড় করে হয়। নববর্ষের দিন তোকে নিয়ে যাব।’
সারা জানে, নববর্ষ মানে বাংলা বছরের প্রথম দিন। সে বইয়ে বৈশাখী মেলার কথা পড়েছে। তবে কখনও এই মেলা দেখেনি। এই প্রথম সে বৈশাখী মেলা দেখবে। তার আনন্দ দেখে কে!
নববর্ষের দিন সকাল বেলা নতুন জামা পরে সে মা-বাবার হাত ধরে মেলায় যায়। গিয়ে দেখে কতো রকমের স্টল মেলায়। মেলায় শোভা পাচ্ছে আমাদের লোকশিল্প, হস্তশিল্প, মৃৎশিল্পসহ নানা রকমের মাটির তৈরি, কাঠের তৈরি ও বেতের তৈরি জিনিসপত্র। এসব সে আগে কখনও দেখেনি। সে বাবাকে বললো, ‘বাবা, এগুলো কারা তৈরি করেছেন? একদম অন্যরকম দেখতে। খুবই সুন্দর।’
বাবা বললেন, ‘মামণি, এগুলো আমাদের গ্রামের মানুষ নিজের মতো করে নিজের হাতে তৈরি করা শিল্প। এগুলো তারা মনের মাধুর্য মিশিয়ে তৈরি করেছেন। এগুলোই আমাদের ঐতিহ্য। বাংলার ঐতিহ্য।’
সারা খুব মন দিয়ে বাবার কথা শুনলো। তারপর একটু সামনে যেতেই দেখে বিভিন্ন পিঠা-পুলি বিক্রি হচ্ছে। সেও মা-বাবার সঙ্গে বিভিন্ন রকম পিঠা খেয়ে নিল। তারা জারি-সারি-ভাটিয়ালি নানা রকম গানও শুনলো। সারা নাগরদোলায় চড়লো। সেদিন সে খুব মজা করলো। সে বৈশাখী মেলাটা খুব উপভোগ করলো। মেলা থেকে ফেরার সময় বাবাকে বললো, ‘বাবা মেলা আমার খুব ভালো লেগেছে।’
বাবা বললেন, ‘ভালো তো লাগবেই। এটা যে আমাদের প্রাণের উৎসব নববর্ষ।’

বয়স : ২+৩+৩+৪ বছর; অষ্টম শ্রেণি, চৌমুহনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com