সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

সূর্যমুখী চাষে পাহাড়ে পর্যটন সম্ভাবনা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে
বসন্তের মৃদু হাওয়ায় পাহাড়ি জনপদ রাঙামাটি সেজেছে হলুদ গালিচায়। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে দুলছে হাজারো সূর্যমুখী। যে ফুল একসময় শুধুই বাগানের সৌন্দর্য বাড়াত, আজ তা রূপ নিয়েছে সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক কৃষিতে। ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সূর্যমুখীর বাগানগুলো এখন পর্যটকদের নতুন আকর্ষণও।

 

রাঙামাটি সদরসহ আশপাশের উপজেলাগুলোতে এ বছর কৃষকরা সূর্যমুখীর চাষ করেছেন মূলত বীজ ও তেলের জন্য। অনুকূল আবহাওয়া ও তুলনামূলক কম খরচে ভালো ফলনের কারণে এ ফুল চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। তবে শুধু কৃষি নয়, বাগানগুলো এখন দর্শনার্থীদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্র। প্রতিদিন স্থানীয় নারী-পুরুষসহ পর্যটকরা ছুটে আসছেন সূর্যমুখীর বাগানে।

প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি স্মৃতি ধরে রাখতে নিজেদের ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করছেন অনেকে। 

দর্শনার্থী সুস্মিতা চাকমা বলেন, রাঙামাটিতে এ ধরনের সুন্দর বাগান সচরাচর দেখা যায় না। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেড়াতে এসেছি, ভালো লাগছে। এমন বাগান আরো হলে বিনোদনের জন্য নতুন স্থান তৈরি হবে।

দর্শনার্থীদের আগমন কৃষকদের বাড়তি আয়ের সুযোগও তৈরি করেছে। অনেক চাষি বাগানে প্রবেশের জন্য সামান্য ফি নির্ধারণও করেছেন। বাগান মালিক মিথিকো দেওয়ান বলেন, ‘পরিবারের তেলের চাহিদা মেটানোর জন্য বাগানটি করেছিলাম। পরে বাগানের সৌন্দর্যে পর্যটক আসতে শুরু করে। বাগানের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা ৫০ টাকা প্রবেশ ফি নির্ধারণ করি।
বাগানে প্রতিদিন গড়ে এক থেকে দেড় শ দর্শনার্থী বেড়াতে আসে।’ 

কৃষক তুংকা মনি চাকমা বলেন, ‘পানির অভাবে আমাদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি গভীর নলকূপ দেওয়া হতো, তাহলে সামনের বছর আরো বড় পরিসরে বাগান করতে পারতাম।’ রাঙামাটি সদর উপজেলার সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আদেশ প্রিয় বড়ুয়া বলেন, ‘কৃষকদের মাঝে আমরা বীজ ও সার বিতরণ করেছি। আশা করছি চাষিরা আশানুরূপ ফলন পাবেন।’ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তনয় চাকমা বলেন, ‘আমি একটি বাগানে গিয়েছিলাম। সেই বাগানটি তৈরি করতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। ওই বাগান থেকে ২০০ লিটারের মতো তেল উৎপাদন হবে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য হবে দেড় লাখ টাকা। এ বছর রাঙামাটিতে ৭০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে।’

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com