সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

টাইফয়েড টিকা পেয়েছে দেশের ৯৭ শতাংশ শিশু

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে
দেশের ৯৭ শতাংশ শিশু টাইফয়েড টিকা পেয়েছে। গতকাল রবিবার জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ সংবাদ বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। সংস্থাটি জানায়, টাইফয়েড টিকা টিসিভি ক্যাম্পেইন ২০২৫-এর মাধ্যমে চার কোটি ২৫ লাখের বেশি শিশু সুরক্ষা পেয়েছে।

ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, সন্তান গুরুতর অসুস্থ হলে পরিবার যে অর্থনৈতিক ও মানসিক চাপে পড়ে, সেখান থেকেও পরিবারগুলোকে রক্ষা করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে টাইফয়েড প্রতিরোধে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর কাতারে উঠে এসেছে। জীবন রক্ষাকারী এই ক্যাম্পেইন চালু করা বিশ্বের অষ্টম দেশ হলো বাংলাদেশ। 

ইউনিসেফের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) করা সর্বশেষ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভেতে (এমআইসিএস) দেখা গেছে, বাংলাদেশে মাত্র ৩৯.৩ শতাংশ মানুষের নিরাপদ ব্যবস্থাপনার আওতায় পানি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আরো উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে, পানির সব ধরনের উৎসর প্রায় অর্ধেক (৪৭.২ শতাংশ) এবং প্রতি ১০টির মধ্যে আটটি পরিবারে ব্যবহৃত পানির নমুনায় (৮৪.৯ শতাংশ) ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া দূষণ রয়েছে।

 

রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, এ সংখ্যাগুলো প্রমাণ করে যে লাখ লাখ শিশু টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতিদিন তারা এই ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে এবং সাধারণ এক গ্লাস পানিও তাদের জন্য গুরুতর বিপদ ডেকে আনতে পারে।

ইউনিসেফ জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকারকে এই ক্যাম্পেইন শুরু করতে সহায়তা করেছে। প্রতিটি পরিবারের জন্য পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শিশুদের গুরুতর অসুস্থতা থেকে সুরক্ষা দেওয়া, তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং মা-বাবাদের মানসিক চাপ কমানোর জন্য টিসিভি টিকা অন্যতম শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।

 

রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, পাঁচ কোটি ৪০ লাখ ডোজ টিসিভি টিকা সরবরাহ করা থেকে শুরু করে শক্তিশালী পরিকল্পনা প্রণয়ন, নতুন কোল্ড রুম নির্মাণের মাধ্যমে কোল্ড চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সঠিক সময়ে সঠিক শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে ভ্যাক্সইপিআই ও বিভিন্ন ডিজিটাল সরঞ্জামের ব্যবহারের ক্ষেত্রেই ইউনিসেফ সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

 

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com