গিজার শীতকালীন জীবনকে অনেক সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলে। কিন্তু গিজারের ধরন, ব্যবহারের উপায় বা সাশ্রয়ের কৌশল অনেকের জানা নেই। ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ, কম কার্যকারিতা বা যন্ত্রের অকাল নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
গিজার কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- ইলেকট্রিক গিজার, গ্যাস গিজার, সোলার গিজার, ইনস্ট্যান্ট গিজার ইত্যাদি। প্রতিটির কার্যপদ্ধতি, সুবিধা ও ব্যবহারিক বাস্তবতা একটু ভিন্ন।
অনেকেই ইলেকট্রিক গিজার টানা চালান বা অন রাখেন, যা ঠিক নয়। কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে গিজারের গরম পানি পাবেন, আবার বিলও কমবে। যেমন–
গিজার টানা অন রাখবেন না
শুধু গোসল বা ব্যবহারের ১০–১৫ মিনিট আগে গিজার অন করুন। পানি গরম হলে বন্ধ করে দিন। ইলেকট্রিক গিজার দীর্ঘসময় অন থাকলে অকারণে বিদ্যুৎ খরচ হয়।
সঠিক সাইজ নির্বাচন করুন
একজন বা দু’জনের জন্য ১০-১৫ লিটারের গিজার যথেষ্ট। বড় পরিবারের জন্য ২০-৩০ লিটার। বড় সাইজ মানে বেশি বিদ্যুৎ খরচ।
টেম্পারেচার কমিয়ে ব্যবহার করুন
৪০-৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস যথেষ্ট। এতে পানি গরম রাখার জন্য কম বিদ্যুৎ লাগে এবং যন্ত্রের আয়ুষ্কাল বাড়ে।
মিক্সার ট্যাপ ব্যবহার করুন
গরম ও ঠান্ডা পানি মিশিয়ে ফ্লো নিয়ন্ত্রণ করলে পানি অপচয় কমে এবং গিজারের ওপর চাপও কম পড়ে।
রাতে গিজার ব্যবহার কমান
রাতে তাপমাত্রা কম থাকে, ফলে পানি গরম করতে বেশি বিদ্যুৎ লাগে। সকাল বা দুপুরে কম বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়।
পাইপলাইন ইনসুলেট করুন
গিজার থেকে বাথরুম পর্যন্ত পাইপ ইনসুলেট করলে পানি দীর্ঘ সময় গরম থাকে। এই ছোট বিষয়টি বিদ্যুৎ বিল ১০-১৫ শতাংশ কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত সার্ভিসিং করুন
স্কেল জমে থাকলে গিজার বেশি সময় ধরে পানি গরম করে, ফলে খরচ বাড়ে। বছরে অন্তত একবার টেকনিশিয়ান দিয়ে সার্ভিস করানো ভালো।