সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

হাঁটুব্যথার কারণ ও প্রতিকার

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

হাঁটুব্যথা সব বয়সে হতে পারে। আঘাত, আর্থ্রাইটিস বা অন্য কোনো কারণে এ ব্যথা হতে পারে। চল্লিশের ঘর পেরোলে হাড়ক্ষয় বেশি হতে থাকে। বেশির ভাগ রোগী হাড়ক্ষয়ের কারণে হাঁটুব্যথা নিয়ে আসেন। এই সমস্যা পুরুষদের তুলনায় নারীদের বেশি হয়। নারীদের বয়স ৪৫ বছর পার হলে, অর্থাৎ পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেলে এর প্রকোপ বাড়ে। তবে এমন ব্যথায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা সঠিক চিকিৎসা ও বিশেষ কিছু ব্যায়াম করলে ভালো উপকার পাবেন।

কী কী কারণে হাঁটুব্যথা হয়ে থাকে?
আঘাতের কারণ—লিগামেন্ট ও মেনিস্কাস, টেন্ডন ইনজুরি, এমনকি হাড় ভেঙে যেতে পারে। প্যাটেলা অবস্থানচ্যুত হয়ে ব্যথা হতে পারে।

অস্টিও আর্থ্রাইটিস বা বাত।
অস্টিও পেরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়।
রিউম্যাটিক বাত।
জয়েন্টে ইনফেকশন।
অনেক সময় কোমরে বা পায়ের গোড়ালির নিচে ব্যথা হলেও সেই ব্যথা হাঁটুতে অনুভূত হতে পারে।

হাঁটুব্যথার চিকিৎসা
সমস্যা অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারিত হয়। যদি হাঁটু ফোলা থাকে, তাহলে ফোলা কমানো। যদি হাঁটুর তাপমাত্রা বেশি থাকে, তাহলে বরফ ও তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলে গরম সেক দেওয়া যেতে পারে। মাংসপেশি শক্তকরণ ও স্ট্রেচিং ব্যায়াম—যা হাঁটুর শক্তি ও রেঞ্জ অব মুভমেন্ট বৃদ্ধি করে। ক্ষয়জনিত সমস্যার প্রধান চিকিৎসা হাড়ক্ষয় বন্ধ করার চিকিৎসা দিতে হবে।

সারা জীবন রোগীকে কিছু উপদেশ মানতে হয়। যেমন ডায়াবেটিস থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখা, শরীরের ওজন কমানো, উঁচু কমোড বা পায়খানা ব্যবহার করা, হাঁটু গেড়ে না বসা, নিয়মিত চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যায়াম করা।

আর হাঁটু ফোলা থাকলে হাঁটাহাঁটি কম করে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

হাঁটুব্যথায় ব্যায়াম

হাঁটুব্যথায় বিশেষ কিছু ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া যায়। এই ব্যায়ামগুলো সারা দিনে অন্তত ২-৩ বার করতে হবে, প্রতিবার ব্যায়ামটি করতে হবে ৫-১০ বার। তবে হাঁটুব্যথার ভালো ব্যায়াম সাঁতার কাটা। এতে জয়েন্টের ওপর  চাপ কম পড়ে, কিন্তু মাংসপেশি শক্ত হয়।

দুই হাঁটু সোজা করে পা দুটি টান টান অবস্থায় রাখুন। এভাবে ১০ সেকেন্ড থাকুন। তারপর পা দুটি স্বাভাবিক অবস্থায় রেখে বিশ্রাম নিন। ৫-১০ বার ব্যায়ামটি করুন। শুয়ে বা বসে কিংবা অফিসে কাজের ফাঁকেও এই ব্যায়াম করতে পারেন।

হাঁটুর নিচে তোয়ালে ভাঁজ করে রেখে পায়ের পাতা টান টান করে শুয়ে থাকুন ১০ সেকেন্ডের জন্য। এরপর একই অবস্থানে থেকে পায়ের পাতা স্বাভাবিক রেখে বিশ্রাম নিন। এই পদ্ধতিতে ৫-১০ বার ব্যায়াম করুন।

চেয়ারের পেছনের উঁচু অংশে দুই হাত রেখে দাঁড়ান। একবার ডান হাঁটু ও পরেরবার বাম হাঁটু ভাঁজ করুন। এভাবে ৫-১০ বার ব্যায়াম করুন।

প্রতিরোধ

নিয়মিত হাঁটুন।

শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

পর্যাপ্ত ভিটামিন, মিনারেলস ও আঁশযুক্ত খাবার খান।

খেলাধুলার আগে ওয়ার্মআপ করে নিতে হবে। খেলোয়াড়দের হাঁটুর আশপাশের মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে।

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে হাঁটুব্যথা নিরাময় সম্ভব।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com