সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

জীবন বাঁচাতে করণীয়

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

ফুসফুস ক্যান্সার সচেতনতা মাস নভেম্বর। মাসজুড়ে সারা বিশ্বের মানুষকে এই মারণব্যাধি সম্পর্কে সচেতন করতে চলে নানা রকম প্রচার-প্রচারণা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী সারা বিশ্বে প্রতিবছর ফুসফুস ক্যান্সারে মারা যায় প্রায় ১৮ লাখ মানুষ। ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর মধ্যে এটিই একক বৃহত্তম কারণ।

বাংলাদেশেও ফুসফুস ক্যান্সারের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েই চলেছে। দেশের ক্যান্সার রোগী পুরুষদের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ৪৮ শতাংশেরও বেশি রোগী ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগছেন। মৃত্যুর হারও কম নয়, প্রায় ৪৭ শতাংশ রোগীই মারা যান।

আরও দেখুন
তথ্যপ্রযুক্তি সংবাদ
গহনা
জাতীয় সংবাদ
রাজশাহীর
চাকরি বিজ্ঞপ্তি
কৃষি বিষয়ক তথ্য
ইন্টারনেট সুরক্ষা সফটওয়্যার
ক্যামেরা
অনলাইন কোর্স
পোশাক

এর মূলে আছে ফুসফুস ক্যান্সার সম্পর্কে অসচেতনতা ও রোগ শনাক্তে অবহেলা করা।

কেন হয় ফুসফুস ক্যান্সার

বয়স ৫০ বছর পার হলেই বাড়ে ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি। তবে উদ্বেগজনক বিষয়, কয়েক দশক ধরে তরুণদের মধ্যেও এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এই রোগ পুরুষদের মধ্যে দেখা যেত বেশি, এখন নারীদের মধ্যেও আক্রান্তের হার বেড়েছে।

ফুসফুস ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় কারণ ধূমপান। প্রায় ৮৫ শতাংশ রোগীর জীবনেই আছে ধূমপানের ইতিহাস। নিজে ধূমপান না করলেও নিস্তার নেই, আশপাশের ধূমপায়ীদের ধোঁয়ায়ও পরোক্ষ ধূমপানের মাধ্যমে ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে। এ ছাড়া যেসব কারণে হতে পারে ফুসফুসের ক্যান্সার—

আরও দেখুন
গহনা
ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
চাকরি বিজ্ঞাপন
কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ
অনলাইন কোর্স
রাজশাহীর
নারী বিষয়ক খবর
আন্তর্জাতিক সংবাদ
ক্যামেরা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের খবর

বায়ুদূষণ : বাস-ট্রাক ও কলকারখানার ডিজেলের ধোঁয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস।

আরও দেখুন
জয়পুরহাটের খবর
রাজশাহীর খবর
চাঁপাইনবাবগঞ্জের খবর
ল্যাপটপ
আইন পরামর্শ
চাকরি বিজ্ঞপ্তি
পাবনার খবর
আইন আদালত
ব্যাংকিং পরিষেবা
শিল্প ও সাহিত্য

রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শ : অ্যাসবেস্টস ও ক্রোমিয়ামের মতো পদার্থের সংস্পর্শে এ রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

রেডন গ্যাস : কিছু এলাকার বাতাসে প্রাকৃতিকভাবেই জমা হয় তেজস্ক্রিয় গ্যাস রেডন। এটিও ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর।

আরও দেখুন
আইন আদালত
মোবাইল ডেটা প্ল্যান
তথ্যপ্রযুক্তি সংবাদ
রাজশাহী
জাতীয় সংবাদ
শিক্ষা বিষয়ক খবর
অনলাইন বাংলা বই
জয়পুরহাটের খবর
অনলাইন কোর্স
চাকরি বিজ্ঞাপন

দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ : ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ থেকেও হতে পারে ক্যান্সার।

আরও দেখুন
পোশাক
বই
আইন আদালত
নাটোরের খবর
ক্যামেরা
বগুড়ার খবর
শিক্ষা বিষয়ক খবর
রাজশাহী
বিনোদন সংবাদ
ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

পারিবারিক ইতিহাস : পরিবারের কারো ফুসফুস ক্যান্সার হয়ে থাকলে সেটিও হতে পারে ঝুঁকির কারণ।

 

উপসর্গ ও রোগ নির্ণয়

প্রাথমিক পর্যায়ে ফুসফুস ক্যান্সার প্রায় উপসর্গহীনভাবে বাড়তে থাকে। ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে দেখা দেয়—

► দীর্ঘস্থায়ী কাশি ও কফের সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

► বুক ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট, কণ্ঠস্বর ভারী হয়ে হওয়া।

► অজানা কারণে ওজন কমে যাওয়া ও শারীরিক দুর্বলতা।

► হাড়ে বা মাথায় ব্যথা (যদি ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ে)।

এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য বুকের এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, ব্রংকোস্কোপি ও নিশ্চিত হওয়ার জন্য টিস্যু বায়োপসি পরীক্ষা করা হয়।

 

চিকিৎসা

ফুসফুস ক্যান্সারের চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এখন অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই ক্যান্সার রেমিশন সম্ভব। ফুসফুস ক্যান্সারে বরাবরই সার্জারি, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির মতো পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এখন এর পাশাপাশি রয়েছে টার্গেটেড থেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি। এসব আধুনিক চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম, আবার রোগীর জিনেটিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী তৈরি হওয়ায় কাজও করে দ্রুত এবং রোগ নিরাময়ের সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

 

প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্তকরণ

ফুসফুস ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় থাকতেই শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসায় সাফল্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ জন্য লো-ডোজ সিটি স্ক্যান (এলডিসিটি) পরীক্ষা সবচেয়ে কার্যকর। যাঁদের বয়স ৫০ বছর পেরিয়েছে এবং প্রতিবছর কমপক্ষে ২০ প্যাক-ইয়ার ধূমপানের ইতিহাস রয়েছে, অর্থাৎ তাঁরা বর্তমানেও ধূমপায়ী বা গত ১৫ বছরের মধ্যে ধূমপান ছেড়েছেন, তাঁদের প্রতিবছর একবার এলডিসিটি পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ধূমপানের পরিমাণ মাপার একক প্যাক-ইয়ার। প্রতিদিন যত প্যাকেট সিগারেট ধূমপান করা হয়, সেটির সঙ্গে যত বছর ধরে ধূমপান করা হয়েছে, সেটির গুণফলই প্যাক-ইয়ার। যেমন—২০ বছর ধরে ধূমপান করছেন, প্রতিদিন ১ প্যাক সিগারেট = ২০ প্যাক-ইয়ার। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ে ফুসফুস ক্যান্সারে মৃত্যুঝুঁকি ২০.৩৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে। এতে রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে এবং সার্জারি বা ওষুধে নিরাময়ের সুযোগ বাড়ে।

 

প্রতিরোধ

ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান ধাপ ধূমপান ত্যাগ করা। এর পাশাপাশি বায়ুদূষণ এড়ানো, চলাফেরার সময় মানসম্মত মাস্ক ব্যবহার, পারিবারিক ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে মৃত্যুঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

ফুসফুস ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে এই রোগ নিয়ন্ত্রণযোগ্য, অনেক ক্ষেত্রে নিরাময়যোগ্যও। সচেতনতা, সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ—এ তিনটি মেনে চললেই বাঁচানো সম্ভব বহু প্রাণ।

 

লেখক : এমডি (অনকোলজি)

ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

চেম্বার : মনোয়ারা হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড

 

আরোও দেখুন

আরও দেখুন
রাজশাহীতে
কৃষি সরঞ্জাম
ল্যাপটপ
আইন পরামর্শ
স্বাস্থ্য বীমা
গহনা
জুতা
তথ্যপ্রযুক্তি সংবাদ
ক্রীড়া সংবাদ
অনলাইন কোর্স

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com