সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ডায়াবেটিসে যে ভুলগুলো এড়াবেন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ডায়াবেটিস বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে প্রচলিত রোগের মধ্যে একটি। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা না হলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার ওপর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নির্ভর করে। শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলতে হবে
জীবনযাপনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম-নীতি মেনে চললে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। অনেকেই নিজের অজান্তে প্রতিদিন এমন ছোট ভুল করেন, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়।
অতিরিক্ত খাওয়া এবং স্থূলতা: ধারাবাহিকভাবে অতিরিক্ত খেলে ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতা হতে পারে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। স্থূলতার কারণে ইনসুলিনের প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হতে পারে।
চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয়: অত্যধিক চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় (বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেজযুক্ত খাবার) গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ে। ঘন ঘন চিনিযুক্ত খাবার খেলে শরীরের জন্য ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
পরিশোধিত বা সরল শর্করা: সরল শর্করার পরিবর্তে কম পরিশোধিত শস্য (যেমন– বাদামি চাল, ওটমিলসহ গোটা শস্যজাতীয় খাবার) খাদ্যতালিকায় রাখুন।
ফলের পরিবর্তে ফলের রস: খাদ্যতালিকায় প্রচুর মৌসুমি ফল ও শাকসবজি রাখুন। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যখনই সম্ভব ফলের রসের পরিবর্তে গোটা ফল খান।
সকালের নাশতা বাদ দেওয়া: সকালের খাবার এড়িয়ে গেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। স্বাস্থ্যকর নাশতা শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া শুরু করে এবং সারাদিন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নাশতা না করলে পরে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, যা ইনসুলিন সংবেদনশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার: স্যাচুরেটেড এবং
ট্রান্স-ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার (যেমন– প্রক্রিয়াজাত বা ভাজা খাবার) ইনসুলিন সংবেদনশীলতাকে আরও বাড়াতে পারে।
ফাইবারের অভাব: খাদ্যতালিকায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবারযুক্ত খাবার অন্তর্ভুক্ত নিশ্চিত করুন। ফাইবার ধীরে ধীরে হজম হয়। ফলে রক্তে শর্করার স্থির মাত্রা বজায় থাকে।
লেখক: সহকারী রেজিস্ট্রার, মেডিসিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com