গরমে আমরা সাধারণত ফোম বা জেল ক্লিনজার ব্যবহার করি, যা তেল কমায়। এই সময়ে ত্বক একটু শুষ্ক হতে থাকে। তাই এখন থেকে হালকা ক্রিম-বেসড বা ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল অক্ষুণ্ন থাকবে।
গরমে আমরা সাধারণত ফোম বা জেল ক্লিনজার ব্যবহার করি, যা তেল কমায়। এই সময়ে ত্বক একটু শুষ্ক হতে থাকে। তাই এখন থেকে হালকা ক্রিম-বেসড বা ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল অক্ষুণ্ন থাকবে।
টোনার নয় হাইড্রেটিং মিস্ট
অ্যালকোহলভিত্তিক টোনার এখন বাদ দিন।
শীতের আগমন মানেই ত্বকের আর্দ্রতা হ্রাস। তাই এখনই হালকা লোশন থেকে ক্রিম-বেসড ময়েশ্চারাইজারে পরিবর্তন করুন। যাঁদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তাঁরা রাতে স্লিপিং মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।
ঠোঁটের যত্ন
শীতে প্রথমেই সাধারণত শুষ্ক হয় ঠোঁট। তাই পেট্রোলিয়াম জেলি বা শিয়া বাটারযুক্ত লিপ বাম ব্যবহার শুরু করুন।
পর্যাপ্ত পানি পান
বাইরের তাপমাত্রা কমলেও শরীরের ভেতরের পানির প্রয়োজন কমে না। দিনে আট থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করলে ত্বক ভেতর থেকে হাইড্রেটেড থাকে।
খাবার
ভিটামিন ই, সি, এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডযুক্ত খাবার (যেমন—মাছ, বাদাম, ফল ও সবজি) এই সময়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
রাতেও নিন ত্বকের যত্ন
রাতেই ত্বক পুনরুজ্জীবিত হয়। তাই ঘুমানোর আগে ত্বক পরিষ্কার করে নাইট ক্রিম বা সিরাম ব্যবহার করুন। চাইলে সপ্তাহে এক দিন ঘরোয়া ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে দুধ, মধু ও কলার প্যাক শুষ্কতার জন্য দারুণ।
ঋতু বদলের এই সময়টি ত্বকের কাছে এক ধরনের পরীক্ষা। একটু সচেতনতা, কিছু পরিবর্তন আর নিয়মিত যত্নই ত্বককে রাখবে উজ্জ্বল, কোমল ও প্রাণবন্ত, যেন শীতের সকালেও ত্বক হাসে ঠিক গরমের মতোই।