সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

নাগালের বাইরে ফলের দাম

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে
দুই বছর ধরে ফলের বাজার সাধ্যের বাইরে চলে গেছে। আগে সকাল ও রাতের মেন্যুতে কিছু বিদেশি ফল থাকত। এখন খাওয়া হয় কালেভদ্রে।’ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর কাফরুলের বাসিন্দা মারুফ ইসলাম।

কক্সবাজারে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত

দাম বাড়তে থাকায় আপেল, আঙুর, খেজুর ও কমলার মতো বিদেশি ফল খাওয়া কমিয়ে দিয়েছে ক্রেতারা। এতে বিদেশি ফল আমদানিও কমেছে। আবার মানুষ বিদেশি ফল খাওয়া কমিয়ে দিলেও উচ্চমূল্যের কারণে ক্রেতাদের খরচও বেড়েছে।
জানা গেছে, ফল আমদানি নিরুৎসাহ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) উচ্চ শুল্ক আরোপ করে। ফলভেদে শুল্কহার ১১৩.৮০ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারিত। এসব শুল্কের মধ্যে রয়েছে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), অগ্রিম আয়কর, আগাম কর, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও কাস্টমস শুল্ক।

 বাজারে বর্তমানে আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩৭৫ থেকে ৪৩৫ টাকার মধ্যে। কমলার বাজারদর ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা। আঙুর বিক্রি হচ্ছে ৩৯০ থেকে ৫৬০ টাকায়। মানভেদে বিভিন্ন ধরনের খেজুর ৪৫০ টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে।

এনবিআরের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের আমদানি তথ্য বলছে, শুল্কায়নযোগ্য মূল্যের সঙ্গে কাস্টমসের বিভিন্ন ধরনের শুল্ক যোগ করে প্রতি কেজি আপেলের দাম পড়ে ১৫৬ টাকা।

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান গ্রেপ্তার

এনবিআরের তথ্য বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আপল আমদানি হয়েছে এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৭৫ মেট্রিক টন। আগের অর্থবছরে ছিল এক লাখ ৮২ হাজার ৮১৮ মেট্রিক টন। কমলা আমদানি হয়েছে এক লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ মেট্রিক টন। আগের অর্থবছরে ছিল দুই লাখ ২০ হাজার ৫৬০ মেট্রিক টন। খেজুর আমদানি হয়েছে ৭৭ হাজার ৬১১ মেট্রিক টন। এর আগের অর্থবছরে এর আমদানি ছিল ৮৩ হাজার ৭০১ মেট্রিক টন। আঙুর আমদানি হয়েছে এক লাখ ছয় হাজার ৮৬৫ মেট্রিক টন। এর আগের বছর এর আমদানি ছিল ৯৭ হাজার ৭৮৬ মেট্রিক টন।

ফল খেতে না পারার কারণে দেশবাসী পর্যাপ্ত পুষ্টি, ভিটামিন ও মিনারেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আগারগাঁওয়ের বাসিন্দা মনির বলেন, ‘আমার বাসায় বৃদ্ধ মা-বাবা ও ছোট শিশু আছে। ইচ্ছা থাকলেও দাম শুনে কেনার সাহস করি না।’

সোলিমোসের পানির স্তর রেকর্ড সর্বনিম্ন

গবেষণাটি বলছে, ফল কম খাওয়ার কারণে বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে বেশি মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সুস্থভাবে বাঁচার জন্য এবং মৃত্যুঝুঁকি এড়াতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেন, ফলের মধ্যে খাদ্যশক্তি থাকে, যা শরীরের ভেতর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়, তাই ফল সবার জন্য উপকারী। পুষ্টিমানের পাশাপাশি সব ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও খনিজ পদার্থ থাকে।

এদিকে ফলের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুল জলিল। কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরে প্রতিদিন আমাদের পাঁচ-ছয়টি টিম কাজ করে। ফলের বাজারে আমরা অভিযান চালাব।’

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com