সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

উচ্চরক্তচাপ ঝুঁকি ও লক্ষণগুলো জেনে নিন

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ–এ শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশি পরিচিত। আমাদের প্রায় প্রতিটি পরিবারেই দেখা যায় এক বা একাধিক সদস্য উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, কেউ নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করলেও আবার অনেকে কিছুদিন পর তা ছেড়ে দেন।
সাম্প্রতিক গাইডলাইন অনুযায়ী ব্লাডপ্রেশারকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১.নন এলিভেটেড (বাড়তি নয়) <১২০/৭০
২.এলিভেটেড (বাড়তি) ১২০/৭০ – <১৪০/৯০
৩.উচ্চ রক্তচাপ হাইপারটেনশন >১৪০/৯০
উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বা রিস্ক ফ্যাক্টর
এই উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে কিছু ঝুঁকির কারণ বা রিস্ক ফ্যাক্টর জড়িত, যেমন–
l খাবারের সঙ্গে অতিরিক্ত কাঁচা লবণ খাওয়া
l  ধূমপান
l মদপান
l অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা
l কায়িক পরিশ্রমের অভাব (বা নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন)
l অতিরিক্ত শরীরের ওজন (বা স্থূলতা)
l উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস
l অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার গ্রহণ
উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ
উচ্চ রক্তচাপের জন্য যে সব লক্ষণ দেখা যেতে পারে, যেমন–
l মাথা ঘোরানো বা ঝিমঝিম করা
l ক্লান্ত অনুভব করা
l বুকে ব্যথা
l বুক ধড়ফড় করা
l শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট
l অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন
কেন উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক?
উচ্চ রক্তচাপকে নীরব ঘাতক বলা হয়, কারণ অধিকাংশ মানুষই জানে না যে তারা এই রোগে আক্রান্ত। এই উচ্চ রক্তচাপ নীরবে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন–ব্রেইন (স্ট্রোক), হৃৎপিণ্ড (হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর), কিডনি (ক্রনিক কিডনি ডিজিজ) ইত্যাদির ভয়াবহ ক্ষতি করে।
যার ফলস্বরূপ, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ১০ মিলিয়ন (এক কোটি) মানুষ উচ্চ রক্তচাপ এবং এর জটিলতাজনিত কারণে মারা যান। ২০২০ সালের তথ্য অনুযায়ী, আমাদের দেশেও সব মৃত্যুর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপজনিত মৃত্যুর হার ছিল ২.০৬%।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারি, যেমন–
l টাটকা ও প্রাকৃতিক খাবার গ্রহণ করা (যেমন: ফল, শাক-সবজি)
l প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস করা।
l নিয়মিত শরীরচর্চা করা (নতুন সংযোজন, কায়িক পরিশ্রম না করার ঝুঁকির বিপরীতে এটি আনা হয়েছে)
l বছরে একবার শারীরিক চেক-আপ করা।
l চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন ও জীবনযাপন করা।
উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রতি বছর বিশ্বে ১৭ মে উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালন করা হয়। আসুন, আমরা সবাই উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে সচেতন হই এবং সঠিক পরামর্শ ও চিকিৎসার জন্য সময়মতো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হই।
[হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, আলোক হাসপাতাল, মিরপুর]

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com