
খেতে না চাইলে
খাবার আকর্ষণীয় করুন।
নির্দিষ্ট সময়েই খেতে দিন
আদরের সোনামণির খাওয়ার সময় নির্ধারণ করুন। একটি রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। রুটিন ধরে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেতে দিন। খুব ঘন ঘন খাবার দিতে চাইবেন না। এতে ক্ষুধা নষ্ট হয়। খাবার খাওয়ার পরিবেশ আনন্দদায়ক করে তুলুন। টিভি, মোবাইল বা অন্য কোনো ডিস্ট্রাকশন ছাড়া শিশুকে খেতে দিন। এতে শিশু ধীরে ধীরে খাবার খেতে উত্সাহ বোধ করবে।
ক্ষুধা বাড়ানোর চেষ্টা করুন
খেলাধুলার পর বা শারীরিক পরিশ্রম শেষে শিশুকে খাওয়াতে চেষ্টা করুন। চিপস, চকোলেট বা জাংক ফুড খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটি পরিহার করানোর চেষ্টা করুন।
গুণগত মানে নজর দিন
শিশুকে একবারে বেশি খাওয়াতে যাবেন না। ছোটদের পাকস্থলীও ছোট হয়। তাই বেশি খাবার ওরা খেতে পারে না। অল্পতেই পেট ভরে যায়। এ জন্য খাবারের পরিমাণে নয়, গুণগত মানে নজর দিন। অল্প করে পুষ্টিকর খাবার; যেমন—ডিম, দুধ, ফলমূল, শাক-সবজি খেতে দিন।
শিশুর নিজে খাওয়ার সুযোগ
নিজের হাতে খাবার ধরতে দিন। এতে সে খাওয়ার প্রতি আগ্রহ দেখাবে। গাজর, আপেল, কলা, শসা কেটে ফিঙ্গার ফুড বানিয়ে তার হাতে ধরিয়ে দিন। এতে সে নিজে নিজে খাওয়া শিখবে। খাওয়ার প্রতিও আগ্রহ বাড়বে।
জোর করে খাওয়াবেন না
ইচ্ছার বিরুদ্ধে খাওয়ালে খাবারের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়। জোর করে খাওয়ানোর ফলে শিশু খাবার দেখলেই ভয় পায়, বিরক্তও হয়। এতে দীর্ঘ মেয়াদে খাওয়ার প্রতি আগ্রহ হারাতে পারে। শিশুর মধ্যে মানসিক চাপ বা উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। শিশুর আত্মবিশ্বাস ও স্বাভাবিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জোর করে খাওয়ালে শিশুর গ্যাগ রিফ্লেক্স সক্রিয় হতে পারে, যা বমি বা শ্বাসনালিতে খাবার আটকে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।