ডেঙ্গুর প্রকোপ এখনো কমেনি। দেশের প্রতিটি শহর ও গ্রামে এ রোগের ভয়াবহতা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডেঙ্গুতে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হেমোরেজিক ফিভার ও ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। এই দুই জটিলতা তৈরির মূল কারণ রক্তনালির দেয়াল দুর্বল হয়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে রক্ত থেকে প্লাজমা বের হয়ে যাওয়া।
শরীরের মোট চাহিদার ৮০ শতাংশ ভিটামিন ডি জোগান দেয় সূর্যের আলো। এর বাকি ২০ শতাংশ আমরা পেতে পারি খাদ্য থেকে; যেমন—ছোট মাছ, মাগুর, স্যালমন মাছ, দুধ ও ডিম। দেহে ভিটামিন ডি-এর চাহিদা পূরণ করতে হলে অবশ্যই ত্বকে সরাসরি রোদ লাগাতে হবে। দীর্ঘ সময়েরও প্রয়োজন নেই, গড়ে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট সূর্যের আলোতে থাকলেই হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যকার সময়ের রোদ ভিটামিন ডি-এর খুব ভালো উৎস। পোশাক বা সানস্ক্রিন সরাসরি ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে বাধা দেয়। তাই মুখে সানস্ক্রিন মেখে বের হলেও হাত-পা বা শরীরের অন্য কোনো স্থান যেন উন্মুক্ত থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভিটামিন ডি-এর সঙ্গে যেহেতু রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সরাসরি সম্পর্কিত, তাই দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি সরবরাহ করা হলে ডেঙ্গুর পাশাপাশি অন্যান্য রোগের প্রকোপও কমে যাবে। তবে মনে রাখা জরুরি, অনিরাপদভাবে অতিরিক্ত রোদ পোহালে উল্টো ত্বকের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। চড়া রোদের মধ্যে থাকা যাবে না। রোদ পোহানোর সময় অবশ্যই সঙ্গে পানি রাখতে হবে। নইলে পানিশূন্যতা হতে পারে।