নায়ক হিসেবে তাঁকে প্রথম দেখা যায় জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ ছবিতে।এরপর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বেশ দাপটের সঙ্গেই ঢালিউডে সেরা নায়ক হয়ে অভিনয় করেন রাজ্জাক, উপাধি পান নায়করাজের। গুণী এ শিল্পী তাঁর অভিনয়শৈলী দিয়ে দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের কয়েক প্রজন্মের কাছে এখনো আইকন হয়ে আছেন।অন্যদিকে বাংলাদেশের মঞ্চ ও টেলিভিশন নাটক, চলচ্চিত্র, শিল্প-সংস্কৃতিকে প্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আবদুল্লাহ আল মামুনের ছিল অগ্রণী ভূমিকা।সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশ ও সংরক্ষণ আন্দোলনে নেতৃত্বের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। ১৯৪২ সালের ১৩ জুলাই জামালপুরের আমলাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন মামুন। ক্যারিয়ার শুরু করেন বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রযোজক হিসেবে। পরবর্তীকালে পরিচালক, ফিল্ম ও ভিডিও ইউনিট, মহাপরিচালক, শিল্পকলা একাডেমি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সুবচন নির্বাসনে’, ‘এখন দুঃসময়’, ‘সেনাপতি’, ‘এখনও ক্রীতদাস’, ‘কোকিলারা’, ‘দ্যাশের মানুষ’, ‘মেরাজ ফকিরের মা’, ‘মেহেরজান আরেকবার’।