এই বয়সে ত্বকে তৈলাক্ত ভাব থাকে, ব্রণ ওঠার প্রবণতাও বেশি। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখার ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হয়। হারবাল ফেসিয়ালও করা যেতে পারে। যাতে ত্বকে ময়েশ্চার ব্যালেন্স হয়।
এই বয়সে ত্বকে তৈলাক্ত ভাব থাকে, ব্রণ ওঠার প্রবণতাও বেশি। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখার ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হয়। হারবাল ফেসিয়ালও করা যেতে পারে। যাতে ত্বকে ময়েশ্চার ব্যালেন্স হয়।
২০ বছরের পর যে কেউই প্রতি মাসে ফেসিয়াল করতে পারবেন। শুষ্ক, সাধারণ ও তৈলাক্ত ত্বকে হারবাল ফেসিয়াল উপযুক্ত।
এই সময়টায় ত্বকের ধরন পরিবর্তন হয়। ত্বকের সতেজতা ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে এবং বলিরেখা দূর করতে নিয়মিত এই ফেসিয়াল করতে পারেন। এই বয়সের উপকারী ফেসিয়াল হবে স্টিম, অ্যান্টি-রিঙ্কেল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফেসিয়াল। এ ছাড়া করতে পারেন ফ্রুট ফেসিয়াল, যা ত্বকের গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে।
৪৫ বছরের পর থেকেই সাধারণত ত্বকে বয়সের ছাপের পাশাপাশি চেহারায় কালো কালো ছোপও পড়ে। এগুলো দূর করতে ভেজিটেবল পিলিং এবং থার্মোহার্বের ফেসিয়াল করা ভালো। এতে চেহারার কালো দাগ চলে যাবে, ত্বক উজ্জ্বল হবে। এ ছাড়া করতে পারেন অ্যান্টি-রিঙ্কেল ও চকোলেট ফেসিয়াল।
ট্রিটমেন্ট ফেসিয়াল
ট্রিটমেন্ট ফেসিয়াল হলো ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করার বিশেষ ফেসিয়াল। ত্বকে কোনো ব্রণ থাকলে ট্রিটমেন্ট ফেসিয়াল করতে হবে। ব্রণের জন্য পিম্পল ফেসিয়াল, পিগমেন্টের জন্য পিগমেন্টেশন ফেসিয়াল, ভেজ পিল ফেসিয়াল আছে। অ্যালোভেরা আর থার্মোহার্ব ফেসিয়াল করালে কালো ছোপ দূর হবে। মেছতা দূর করার জন্য আছে ভেজ পিল ফেসিয়াল ও অ্যালোভেরা ফেসিয়াল, যা ত্বককে পরিষ্কার করবে। ত্বকে দাগ থাকলে এই ফেসিয়াল করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের জন্য এটা খুবই উপকারী। তবে স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ফেসিয়াল করা যাবে না।
জেনে নিন
* ত্বকে খুব বেশি সমস্যা না থাকলে মাসে একবার ফেসিয়ালই যথেষ্ট।
* অভিজ্ঞদের কাছে ফেসিয়াল করা ভালো।
* ফেসিয়াল করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মেকআপ ব্যবহার না করাই উত্তম।
* ফেসিয়াল করার সময় যদি ব্লিচ ক্রিম ব্যবহার করা হয়, তবে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সাবান বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করা যাবে না।