সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

মাতৃদুগ্ধ আরেক ভালোবাসা

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতি বছর আগস্ট মাসের ১ থেকে ৭ তারিখ বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয় “বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ”। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে ১৯৯২ সালে এ দিবসটির সূচনা হয়। মাতৃদুগ্ধ হলো শিশুর প্রথম ও সর্বোত্তম খাবার। এটি শিশুর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, তার সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করে এবং ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে আনে। মাতৃদুগ্ধ শুধু একটি খাবার নয়, এটি শিশুর সঙ্গে মায়ের মানসিক বন্ধনেরও প্রতীক।

শুধুই মাতৃদুগ্ধ পান করালে বছরে ছয় মাসের কম বয়সিদের আট লাখের বেশি জীবন রক্ষা পাবে। শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ালে মা ও শিশু দুজনেরই উপকার হয়। জন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে মায়ের দুধ দিলে মায়ের গর্ভফুল তাড়াতাড়ি পড়ে, সহজে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়, ফলে মা রক্তস্বল্পতা থেকে রক্ষা পায়। জন্মবিরতিতে সাহায্য করে, স্তন ও জরায়ুর ক্যান্সার এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। শিশুর সর্বোচ্চ শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়া হওয়ার প্রবণতা এবং এর তীব্রতার ঝুঁকি কমায়, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ এবং কানের প্রদাহ কমায়, দাঁত ও মাড়ি গঠনে সহায়তা করাসহ অনেক উপকারিতা আছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, জন্মের প্রথম ঘণ্টাতেই নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র বুকের দুধই খাবে শিশু, এমনকি পানিও খাওয়ানো যাবে না। এরপর পরিপূরক খাদ্যের সঙ্গে অন্তত দুই বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ চালিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ পালিত হয়ে আসছে সেই ১৯৯২ সাল থেকে। কিন্তু এখনও জন্মের প্রথম ছয় মাস শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো হয় বিশ্বের মাত্র ৪১ শতাংশ শিশুকে। এই হারকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি। আর আমাদের দেশে এখন হাজার হাজার মা নিজের বুকে দুধ পান করার পরিবর্তে বাজারে কৃত্রিম দুধ পান করান নিজের সৌন্দর্যকে ধরে রাখার জন্য। এতে লাভের চেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে। ভবিষ্যত জীবন অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে শিশুর। শিশুর রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ মায়ের দ্রুত আরোগ্য লাভের ক্ষেত্রে মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই। শিশুর রোগপ্রতিরোধক ক্ষমতার অসাধারণ গুনাবলী সমৃদ্ধ মাতৃদুগ্ধ! আমাদের দেশে এই ব্যাপারটি অত্যন্ত অবহেলিত- কারণ ধরেই নেয়া হয় যিনি জন্ম দিলেন তিনি তো স্তন্যদান করবেনই, এটা তাঁর একার দায়িত্ব এবং অবধারিত ব্যাপার। বিষয়টি এতো সহজ নয়, আর সে কারনেই দেখা যায় শেষ পর্যন্ত অনেক সদ্য প্রসূতীর সন্তান মার্তৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মাতৃদুগ্ধ বঞ্চিত শিশুরা বিভিন্ন রোগে সহজে আক্রান্ত হয় এবং কখনও অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

শিশুখাদ্য হিসেবে মাতৃদুগ্ধ পরিবারের খরচ ও সময় দুটোর সাশ্রয় করে থাকে।

ফ্যামিলি ট্যুর প্যাকেজ

১. ব্রেস্টফিডিং সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মায়ের সুস্বাস্থ্য (শারিরিক ও মানসিক দুটোই)। গর্ভবতী মায়ের দেহে বিভিন্ন হরমোনের আধিক্য দেখা যায়, বলা যায় গর্ভবতীর শরীরে চলে হরমোনের উৎসব। যার ফলে তিনি শারিরিক ও মানসিকভাবে ভীষণ প্রভাবিত হন। শিশুর জন্মের পর এই প্রভাব কিছুটা কমে এলেও তিনি শারিরিক ভাবে দুর্বল এবং অনেক ক্ষেত্রে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকেন। শিশুর লালন পালনে আর সব কিছুর মতো মাতৃদুগ্ধ দানে মায়ের পাশাপাশি পিতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুকে স্তন্যদান করবেন মা আর সেই মায়ের যতœ, তাঁর পুষ্টি, বিশ্রাম নিশ্চিত করবেন পিতা।
২. এসময় মায়ের যথাযথ খাদ্যগ্রহন ও পুষ্টি জরুরী। মায়ের পুষ্টিহীনতা মতৃদুগ্ধ উৎপাদনে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। এসময় সাধ্য অনুযায়ী দুধ, ডিম, সব্জিসহ পুষ্টিকর খাবার গ্রহন করা জরুরী।
৩. স্তন্যাদানকারী মায়েদের হাইড্রেশন বা পর্যাপ্ত পানি পান নিশ্চিত করতে হবে।
৪. মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতার লক্ষ্যে পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ঘুম (প্রতিদিন নুন্যতম ৮ ঘন্টা) দরকার।
> বিশেষ খাবার:-
* দুধ * কালোজিরা * লাউ * সাপ্লিমেন্ট কোন ওষুধ * সাগুদানা * পেঁপে * মেথী ইত্যাদি।
> পজিশন:-স্তন্যদানের যথাযথ পজিশনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্নঃ-

১. ক্র্যডেল:- সাধারন কোলে নেবার ভঙ্গীতে যে প্রচলিত পজিশনে স্তন্যদান করা হয়, তা সব চেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর।

.
২.বল হোল্ডিং:- সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেবার পর প্রচলিত পদ্ধতি বা ক্র্যাডেল পজিশনে স্তন্যদান অনেক ক্ষেত্রে মায়ের জন্য কষ্টকর, মাঝে মাঝে প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠে। তখন “বল হোল্ডিং” অত্যন্ত কার্যকর। একটি বলকে পাশে হাতের নীচ দিয়ে ধরার মতো করে শিশুকে স্তন্যদান করায় মায়ের তলপেট বা সিজিরয়িান সেকশনের ক্ষতস্থানে শিশুর ভার পড়েনা, ফলে এটা মা ও শিশু উভয়ের জন্য সহজ হয়।
৩.ক্রস ক্র্যাডেল:- প্রিম্যাচিউর শিশুর ক্ষেত্রে অধিক সহায়ক।
৪.লাইং বা শায়িত:- মায়েদের জন্য কিছুটা রিল্যাক্সিং হলেও শিশুর জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

> কর্মজীবি মায়েদের জন্য: ইচ্ছে থাকা সত্বেও মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কাজে ফেরার পর অনেক মাকে কৃত্রিম খাবার বা বেবিফুড, গরুর দুধ বা পাউডার দুধের আশ্রয় নিতে হয়, যা মোটেও কাম্য নয়। এ সমস্যা সমাধানে কর্মজীবি মায়েদের জন্য প্রায় বন্ধু সম একটি যন্ত্র “ব্রেস্ট পাম্প। কাজের সময় শিশুকে স্তন্য দান সম্ভব না হলে তাঁরা এই পাম্পের সাহায্যে মতৃদুগ্ধ সংগ্রহ করে তা যথাযথ উপায়ে সংরক্ষণ করতে পারেন। যা তাঁদের অনুপস্থিতিতে পরিবারের অন্য কেউ শিশুকে খাওয়াতে পারেন। ব্রেস্ট পাম্প বিভিন্ন রকমের ও দামের আছে তবে ইলেক্ট্রিক পাম্প সবচেয়ে কার্যকর ও কিছুটা ব্যয়বহুল। ল্যাক্টেশন সেন্টার থেকে এই পাম্প ভাড়া করা যায়।

ফ্যামিলি ট্যুর প্যাকেজ

পোশাক:-স্তন্যদানের উপযোগী আরামদায়ক ও স্বস্তি—কর পোশাক মায়েদের জন্য জরুরী। এবিষয়েও ল্যাক্টেশন সেন্টার সহায়তা করে থাকে।
> প্রস্তুতি:-একজন পুরুষের কাছে স্তন্যদান যতোখানি অপরিচিত ব্যাপার, প্রথমবার সন্তানলাভ করা মায়ের কাছেও অনেকটা তেমনি। তাই, গর্ভবতী অবস্থা থেকে এব্যাপারে মানসিক প্রস্তুতি জরুরী। পরিবারের মুরুব্বী এবং স্বামী উৎসাহ দান করে এই প্রস্তুতিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারেন।

> আধুনিকতা ও স্তন্যদান:

সময়ের সাথে সাথে মানুষ যতো আধুনিক ও শিক্ষিত হচ্ছে উন্নত বিশ্বের মায়েরা ফিরে যাচ্ছেন ব্রেস্ট ফিডিং বা স্তন্যদানে। শিক্ষা, মাতৃদুগ্ধের উপকারিতা এবং শিশুর জন্য এর গুরুত্ব অনুধাবন তাঁদের এবিষয়ে উৎসাহিত করছে। হাজারও ব্যস্ততার মাঝে শিশু সন্তানকে মাতৃদুগ্ধেরথেকে বঞ্চিত করছেননা। স্ত্যদানে অন্যতম সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, মা ও শিশুর মানসিক নৈকট্য বা বন্ধন দৃঢ় করায় এর কোন বিকল্প নেই।

> স্তন্যদুগ্ধের ঘাটতি হলে তার লক্ষণগুলি-
বুকের দুধের সরবরাহ কম কিনা তা নির্ধারণ করার একটি উপায় হল আপনার বাচ্চা যথেষ্ট পরিমাণে দুধ পাচ্ছে কিনা তা লক্ষ্য করা। দুগ্ধের সঠিক সরবরাহ আছে কিনা তা জানার শ্রেষ্ঠ উপায় আপনার শিশুর ওজন পরীক্ষা করে দেখা। আপনার শিশুর সঠিক উন্নতি ও স্বাস্থ্যবৃদ্ধি হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে নিয়মিত তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া এবং শিশুর ওজন পরীক্ষা করে দেখা। তবে, শিশুর জন্মের পরে পরেই ওজন হ্রাস পাওয়া একটি সাধারণ ঘটনা। প্রথম পাঁচ বা ছয় দিনের মধ্যেই এই পরিস্থিতি ঠিক হতে থাকবে এবং চৌদ্দ দিনের মধ্যে আপনার বাচ্চাটি তার জন্মের সময়কার ওজন ফিরে পাবে।
আপনি যদি আপনার শিশুর ওজনের বিষয়ে নিশ্চিত না হন, তবে আপনার যথেষ্ট স্তন্যদুগ্ধ তৈরি হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখুন:
* বুকের দুধ খাওয়ানোর পর স্তন ওজনে কমবে, আপনার জন্য এটা সুখকর এবং যন্ত্রণাহীন।
* আপনার শিশু বারংবার খেতে পছন্দ করবে।
* এটা দ্রুত হজম হয় এবং আপনার শিশু বার বার তা পান করতে চাইবে। এর অর্থ এই নয় যে আপনি পর্যাপ্ত দুধ উৎপাদন করছেন না।

ফ্যামিলি ট্যুর প্যাকেজ

* বেশিরভাগ শিশু ১.৫ থেকে ২ ঘন্টা অন্তর বুকের দুধ খেয়ে থাকে।
* আপনার স্তন প্রতিবার দুধ পান করানোর পর নরম এবং খালি হয়ে যাবে।
* খাওয়ার সময় আপনি আপনার শিশুর গিলতে থাকা লক্ষ্য করতে পারেন।
* খাওয়া শেষ হওয়ার পর আপনার বাচ্চা নিজেই বুক থেকে সরে আসতে চাইবে
* আপনার শিশুর প্রতিদিন সাতবার বা তার বেশী প্রস্রাব হবে।
* মল হালকা হলুদ রঙের হবে যাতে কিছু দলা বা পিন্ডের মতো থাকবে।
* শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো হয় এমন বাচ্চারা দিনে বেশ কয়েকবার বা কখনো কেবল তিন দিনেও একবার মলত্যাগ করতে পারে।
* উভয় ধরনের পরিস্থিতিই স্বাভাবিক বলে মনে করা হয় এবং আপনার এই সম্পর্কে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
নিম্নে বর্ণিত লক্ষণগুলির অর্থ স্তন্যদুগ্ধ কমে যাওয়া নয়, যদিও আপনার মনে হতে পারে যে সেগুলি কোনো গুরুতর সমস্যার নির্দেশক :

* তাড়াহুড়ো করে স্তন্যপান
* খাওয়ার সময়কাল হ্রাস পাওয়া
* বারংবার খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া
* আপনার স্তন থেকে দুধ না গড়ানো
* চাপ দিয়ে বের করতে গেলে সামান্য পরিমাণ বা একেবারেই দুধ নেই এমন
কিভাবে স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়?
* আপনার বাচ্চাকে সঠিক পদ্ধতিতে দুধ খাওয়ানো খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি বাচ্চা স্তনবৃন্তটি মুখে ধরে রাখতে না পারে বা সেটি ভুল অবস্থানে থাকে তবে তাকে খাওয়ানো কঠিন হবে। অন্য কিছু শারীরবৃত্তীয় সমস্যার কারণে সঠিকভাবে খাওয়ানো ব্যাহত হতে পারে, পর্যাপ্ত স্তন্যদুগ্ধ উৎপাদিত হওয়ার জন্য স্তন সম্পূর্ণ খালি হওয়া দরকার।* ঘন ঘন খাওয়াতে থাকলে স্তনের দুধ খালি করে ফেলা যাবে। ১.৫ বা ২ ঘণ্টা অন্তর আপনার বাচ্চা যতক্ষণ চায় তাকে খাওয়ানো উচিৎ।

* আপনার দৈনিক নিয়ম থেকে বিরতি গ্রহণ করলে তা আপনাকে শিশুকে খাওয়ানোর রুটিনটি প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করবে। আপনার এবং আপনার শিশুর সুবিধা মতো দুই থেকে তিন দিন সময় দিয়ে একটি খাওয়ানোর নিয়ম তৈরি করুন।
* খাওয়ানোর সময় দুটি স্তনই ব্যবহার করুন। এক পাশেরটি খাওয়া হলে অন্যটি এগিয়ে দিন।
* যথাসম্ভব চুষি এবং দুধ খাওয়ানোর বোতল এড়িয়ে চলতে হবে।
* আপনার শিশুকে শুধুমাত্র বুকের দুধই দিতে হবে এবং অন্য যে কোনো ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
* নিজের প্রতি যতœ নিন নিজের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া সুনিশ্চিত করতে হবে এবং আপনাকে শিশুর সাথে সাথে পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করতে হবে।
পরিশেষে বলতে চাই, মায়ের দুধ মহান আল্লাহর একটি বিশেষ নিয়ামত। মায়ের দুধের উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বিশ্বব্যাপী শিশুকে মায়ের দুধ পান করানোর হার এখনো অনেক কম। বাংলাদেশে জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে মায়ের দুধ পান করানোর হার ৬৯ শতাংশ। আমাদের সবার শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব এই অবস্থার জন্য দায়ী। এটা শিশুর জন্য মায়ের কাছে অধিকার বা প্রাপ্য রয়েছে। মায়ের দুধপান করা শিশুর মৃত্যুহারও একেবারে কম। বিশ্বের ১৭০ টি দেশের সাথে বাংলাদেশে ও এ সপ্তাহ পালন করা হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com