নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই তিনি পেলের সঙ্গে তুলনীয় হন। পেলের পর সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে জোড়া গোল করেন, পেলের পর ফাইনালে গোল করা সর্বকনিষ্ঠও তিনিই।
নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই তিনি পেলের সঙ্গে তুলনীয় হন। পেলের পর সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে জোড়া গোল করেন, পেলের পর ফাইনালে গোল করা সর্বকনিষ্ঠও তিনিই।
তবে এই বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসা ও লিওনেল মেসির বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটাও ভাঙার পথে তিনি।
তিনি এমবাপ্পে বলেই হয়তো এ ধরনের লক্ষ্য ঠিক করতে পারেন। বড় মঞ্চের বড় খেলোয়াড়। প্রথমার্ধে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারছিলেন না। কিন্তু তিনি এমনই, দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করে ফেললেন। ফরাসি এই তারকাকে থামানোর নির্দিষ্ট কোনো সূত্র নেই যেন! তিনি ঠিক বেরিয়ে যান। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে কোনো ট্রফি না জিতলেও গোলের ধারা তাঁর থামেনি। রিয়ালে যে পজিশনে খেলছেন, দেশমও তাঁকে এবারের বিশ্বকাপে সেভাবেই খেলিয়েছেন, ‘ওর পজিশন নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে, সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলানোটাই ওর জন্য সবচেয়ে ভালো হবে এই মুহূর্তে।’ দ্বিতীয়ার্ধে উসমান দেম্বেলেকে ডানে সরিয়ে মাইকেল ওলিসেকে এমবাপ্পের নিচে খেলান দেশম। তাতেই ম্যাচের ধারা বদলে যায়। মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের মধ্যে দারুণ যোগসূত্র তৈরি করেন ওলিসে। তাতে এমবাপ্পেরও সুযোগ বাড়ে। তিনি ঠিক তা কাজে লাগিয়েছেন।
পরশু একই দিনে নেমেছিলেন এমবাপ্পে ও মেসি। দুজন দুই মাঠে হলেও ২০২২ সালের ফাইনালে যেমন একজন আরেকজনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছিলেন, এদিনও সেই লড়াইটাই দেখা গেছে। ফরাসি তারকা জোড়া গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পথে মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন। কানসাসে এর পরপরই মেসি দেখালেন আরো দারুণ কিছু, হ্যাটট্রিক করে নিজেকে নিয়ে গেলেন ক্লোসার পাশে। এমবাপ্পে-মেসির এই লড়াই টুর্নামেন্টজুড়ে চলবে বলাই যায়। ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে যদিও দলীয় লক্ষ্যের কথাটাই সবার আগে রেখেছেন, ‘আমরা সবাই জানি আমরা এখানে কেন এসেছি। এই অর্জনগুলো নিয়ে ভবিষ্যতেও হয়তো আমি ভাবতে পারব, খেলা ছেড়ে দেওয়ার পর। তবে এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য দলকে সাহায্য করে যাওয়া। ফ্রান্সের হয়ে ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখতে এসেছি আমরা।’