সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

কোথায় থামবেন এমবাপ্পে!

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই তিনি পেলের সঙ্গে তুলনীয় হন। পেলের পর সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে জোড়া গোল করেন, পেলের পর ফাইনালে গোল করা সর্বকনিষ্ঠও তিনিই।

সেই কিলিয়ান এমবাপ্পের ক্যারিয়ার যে রকেটের গতিতে ছুটবে, তাতে আর আশ্চর্য কী! বয়স মাত্র ২৭ বছর। গত পরশু ফ্রান্সের জার্সিতে নিজের ৫৮তম গোল করে মিশেল প্লাতিনি, জিনেদিন জিদানদের এই উত্তরসূরি এখন ফরাসিদের মধ্যে সর্বোচ্চ গোলদাতাও। এগিয়ে যাওয়ার এমন দুর্দমনীয় গতিই বলছে, এমবাপ্পে কোথায় গিয়ে থামবেন তা হয়তো নিজেও জানেন না তিনি। 

কোথায় থামবেন এমবাপ্পে!তবে এই বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসা ও লিওনেল মেসির বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটাও ভাঙার পথে তিনি।

সেনেগালের বিপক্ষে দুই গোল করে এদিন পেলেকে ছাড়িয়ে জার্ড মুলারের পাশে বসেছেন। আর দুই গোল হলেই ছুঁয়ে ফেলবেন ১৬ গোলের রেকর্ড। এমবাপ্পের এই সবকিছু ‘বুড়ো’ দিদিয়ের দেশমের চোখের সামনেই। তাঁর হাত ধরেই ফরাসি জাতীয় দলে অভিষেক ১৮ বছর বয়সে।
ম্যাচের পর কীর্তিমান এই শিষ্যকে নিয়ে দেশমের মুখ থেকে দুটো কথা শোনা তাই অবধারিত হয়ে যায়। ফরাসি কোচ বললেন এমবাপ্পেকে নিয়ে আগাগোড়াই, ‘ও এই মানের খেলোয়াড় যে ওর একটা সাদামাটা দিনেও ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আর মাঠ ও মাঠের বাইরে দলের জন্য সে অনেক করে। যদিও অনেকে তাকে স্বার্থপর মনে করে। এমবাপ্পে এই মঞ্চে নাম লিখিয়েই তারকা, সেটি তার পারফরম্যান্স দিয়েই।
সে আমাকে বলেছে, সে প্রীতি ম্যাচে গোল করতে চায় না, চায় বিশ্বকাপে। কারণ সেটির প্রভাব অনেক বেশি।’ 

তিনি এমবাপ্পে বলেই হয়তো এ ধরনের লক্ষ্য ঠিক করতে পারেন। বড় মঞ্চের বড় খেলোয়াড়। প্রথমার্ধে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারছিলেন না। কিন্তু তিনি এমনই, দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করে ফেললেন। ফরাসি এই তারকাকে থামানোর নির্দিষ্ট কোনো সূত্র নেই যেন! তিনি ঠিক বেরিয়ে যান। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে কোনো ট্রফি না জিতলেও গোলের ধারা তাঁর থামেনি। রিয়ালে যে পজিশনে খেলছেন, দেশমও তাঁকে এবারের বিশ্বকাপে সেভাবেই খেলিয়েছেন, ‘ওর পজিশন নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে, সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলানোটাই ওর জন্য সবচেয়ে ভালো হবে এই মুহূর্তে।’ দ্বিতীয়ার্ধে উসমান দেম্বেলেকে ডানে সরিয়ে মাইকেল ওলিসেকে এমবাপ্পের নিচে খেলান দেশম। তাতেই ম্যাচের ধারা বদলে যায়। মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের মধ্যে দারুণ যোগসূত্র তৈরি করেন ওলিসে। তাতে এমবাপ্পেরও সুযোগ বাড়ে। তিনি ঠিক তা কাজে লাগিয়েছেন।

পরশু একই দিনে নেমেছিলেন এমবাপ্পে ও মেসি। দুজন দুই মাঠে হলেও ২০২২ সালের ফাইনালে যেমন একজন আরেকজনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছিলেন, এদিনও সেই লড়াইটাই দেখা গেছে। ফরাসি তারকা জোড়া গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পথে মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন। কানসাসে এর পরপরই মেসি দেখালেন আরো দারুণ কিছু, হ্যাটট্রিক করে নিজেকে নিয়ে গেলেন ক্লোসার পাশে। এমবাপ্পে-মেসির এই লড়াই টুর্নামেন্টজুড়ে চলবে বলাই যায়। ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে যদিও দলীয় লক্ষ্যের কথাটাই সবার আগে রেখেছেন, ‘আমরা সবাই জানি আমরা এখানে কেন এসেছি। এই অর্জনগুলো নিয়ে ভবিষ্যতেও হয়তো আমি ভাবতে পারব, খেলা ছেড়ে দেওয়ার পর। তবে এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য দলকে সাহায্য করে যাওয়া। ফ্রান্সের হয়ে ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখতে এসেছি আমরা।’

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com