সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ড্রাই আই: চোখের পানির স্বল্পতা ও প্রতিকার

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

আমাদের চোখের একটি অত্যন্ত সমস্যাজক রোগ হলো চোখের পানির স্বল্পতা বা ড্রাই আই। একমাত্র ভুক্তভোগী ছাড়া এই দুরূহ কষ্ট আর কেউ অনুভব করতে পারবে না। চোখকে মসৃণ রাখার জন্য চোখের কোটরের ওপরের অংশে ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি থেকে চোখের পানি তৈরি হয় এবং পাপড়ির গ্রন্থি থেকে তৈলাক্ত রস নিঃসৃত হয়। মিনিটে ১৫ থেকে ২০ বার চোখের পলক ফেলার মাধ্যমে চোখকে ভিজিয়ে রাখা হয়। কোনো কারণে এই পানির পরিমাণ বা প্রবাহে সমস্যা হলে চোখের পানি শুষ্ক হয়ে যায়, যাকে ড্রাই আই বলা হয়।

ড্রাই আইয়ের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে চোখে জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি, ব্যথা, ভারি ভারি ভাব লাগা, দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, চোখ মেলাতে ইচ্ছে না করা এবং চোখের ক্লান্তি। এই রোগের মুখ্য কারণ অজানা হলেও ডায়াবেটিস, থাইরয়েড রোগ, ভিটামিন এ-এর ঘাটতি, কোলাজেন ভাসকুলার রোগ, সগরেন সিন্ড্রোম এবং চোখের হারপিক সিমপ্লেক্স অন্যতম। এছাড়া বয়স বাড়লে, বিশেষ করে মহিলাদের মাসিক বন্ধ হওয়ার পর এই সমস্যা হতে পারে। কিছু ওষুধ যেমন সালফার, পেনিসিলিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, ব্যথানাশক ওষুধ, মৃগী রোগের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, বায়ু দূষণ, বাতাসে জলীয় বাষ্পের স্বল্পতা, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থানের ফলেও এটি হতে পারে।

চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী এবং সারমার টেস্টের মাধ্যমে চোখের পানির পরিমাণ মেপে রোগ ধরা হলে কৃত্রিম পানি, নরম কন্টাক্ট লেন্স এবং চিকিৎসকের পরামর্শে হালকা স্টেরয়েড ড্রপ দেওয়া হয়। এছাড়া কালো চশমা পরা, কুড়ি মিনিট পরপর স্ক্রিন থেকে বিরতি নেওয়া, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার, চোখে হালকা গরম সেঁক, ওমেগা-৩ ক্যাপসুল ও চোখের ম্যাসাজ উপকারে আসে। পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধোয়া যেতে পারে। এই সমস্যা একবার হলে সহজে সারে না, তাই নিয়মিত চিকিৎসায় সুস্থ থাকা সম্ভব।
লেখক:  কনসালটেন্ট, যশোর চক্ষু ক্লিনিক ও ফেকো সেন্টার।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com