ফুটবল বিশ্বকাপ যেন কলম্বিয়ান পপতারকা শাকিরা ছাড়া অসম্পূর্ণই থেকে যায়। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পুরো দুনিয়া মাতিয়েছেন তিনি ‘ওয়াকা ওয়াকা’ দিয়ে, যা এখন পর্যন্ত যেকোনো ক্রীড়া ইভেন্টের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে সবচেয়ে সেরা হিট সংগীত হিসেবে।
ফুটবল বিশ্বকাপ যেন কলম্বিয়ান পপতারকা শাকিরা ছাড়া অসম্পূর্ণই থেকে যায়। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পুরো দুনিয়া মাতিয়েছেন তিনি ‘ওয়াকা ওয়াকা’ দিয়ে, যা এখন পর্যন্ত যেকোনো ক্রীড়া ইভেন্টের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে সবচেয়ে সেরা হিট সংগীত হিসেবে।
এ নিয়ে তিন বিশ্বকাপের সঙ্গে যোগসূত্র ঘটল শাকিরার, ২০১০ ও ২০১৪ সালে তাঁর কণ্ঠের জাদু যেভাবে সবাইকে বিমোহিত করেছিল। পপশিল্পী পরিবেশিত থিম সং কিভাবে একটি টুর্নামেন্টে ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে একসূত্রে গেঁথে ফেলতে পারে, এটা যেন তারই প্রমাণ। এবারও তাঁর গাওয়া গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের সমর্থনে তৈরি ‘দাই দাই’ গানটি সাড়া ফেলেছে বিশ্বব্যাপী।
ইনফান্তিনোর কথারই বাস্তব উপস্থাপনা দেখা গেছে এর আগে দুই বিশ্বকাপের আয়োজক আজতেকা স্টেডিয়ামে। শুরুতেই মাঠের মাঝে নিয়ে আসা হয় বিশাল আকৃতির একটি বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা এবং গানের ছন্দে নৃত্য পরিবেশন করেন একদল নৃত্যশিল্পী।
জমকালো এই আয়োজন অবশ্য ভণ্ডুল হতে পারত বেতন বৃদ্ধি এবং বর্তমান পেনশন আইন বাতিলের দাবিতে শিক্ষক ইউনিয়নের চলমান অবরোধে। স্টেডিয়ামের দিকে যাওয়া বেশ কয়েকটি রাস্তা তাঁরা আটকে বিক্ষোভ করেছেন। সে জন্য সাধারণ দর্শকদের মাঠে যাওয়াটা বেশ কঠিনই হয়েছে। তবে এই স্টেডিয়াম ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখভালের জন্য লাখখানেক আর্মি, পুলিশ ও বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের নিয়োগ করেছে মেক্সিকো সরকার। স্কুল-কলেজগুলোয় ছুটি দেওয়া হয়েছে এবং বেশির ভাগ সরকারি কর্মীদের এবং খুব প্রয়োজন না হলে বেসরকারি চাকুরেদেরও ঘরে বসেই অফিসের কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে তাই সব শঙ্কা উড়িয়ে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বিপুল দর্শক উপস্থিতিতে জমজমাট আয়োজনেই পেয়েছে মাঠে গড়ানোর অভিবাদন।