সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

শিশুর বমি: কারণ, সতর্কতা ও করণীয়

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

শিশু বিভিন্ন কারণে বমি করতে পারে এবং বয়সভেদে এর কারণ ভিন্ন হতে পারে। নবজাতকের ক্ষেত্রে জন্মের পরপরই বমি শুরু হলে খাদ্যনালির জন্মগত ত্রুটি আছে কিনা, তা পরীক্ষা করা জরুরি। জন্মের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর যদি বমি শুরু হয় এবং বমির আগে পেটের ওপরের দিকে ফুলে ওঠা দেখা যায়, বমির রং সবুজ না হয় এবং বমির পর শিশুর ক্ষুধা বেড়ে যায়, তাহলে পাইলোরিক স্টেনোসিসের আশঙ্কা থাকে।

দুধ খাওয়ানোর পরপরই বমি করলে পদ্ধতিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা, তা দেখা প্রয়োজন। তিন মাস থেকে এক বছর বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে রোটাভাইরাস সংক্রমণ প্রথমে বমি দিয়ে শুরু হয়ে পরে ডায়রিয়ায় পরিণত হতে পারে। তীব্র জ্বর, শ্বাসনালির সংক্রমণ বা কাশির কারণেও বমি হতে পারে। পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যায়ও বমি দেখা যায়।
বড় শিশুর ক্ষেত্রে প্রস্রাবের সংক্রমণ, গলার ইনফেকশন, সাইনাস, মাইগ্রেন বা মস্তিষ্কের সংক্রমণ বমির কারণ হতে পারে। এ ছাড়া কৃমি, জন্ডিস, খাদ্যে বিষক্রিয়া বা অ্যালার্জিও বমির কারণ হতে পারে।
বমি হলে শিশুকে বাঁ কাতে শোয়ানো উচিত, যাতে বমি শ্বাসনালিতে না যায়। কিছু সময় বিরতি দিয়ে অল্প অল্প করে পানি বা স্যালাইন খাওয়াতে হবে। ধীরে ধীরে জাউ, স্যুপ বা তরল খাবার দেওয়া যেতে পারে। বড় শিশুর ক্ষেত্রে ডাবের পানি বা ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় উপকারী।

যদি বমি বন্ধ না হয়, প্রস্রাব কমে যায় বা শিশুর অবস্থা খারাপ হয়, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি।
লেখক : শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও সভাপতি বাংলাদেশ শিশু সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসক সমিতি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com