সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

৯৬ কারখানায় বোনাস হয়নি, এপ্রিলের বেতন দেয়নি ১৫টি

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ঈদুল আজহা ঘিরে দেশের শিল্পাঞ্চলে বেতন ও বোনাস পরিশোধ কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম জোনের অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ও এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে।

তবে এখনো কিছু কারখানায় বকেয়া রয়ে গেছে। 

তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুই অঞ্চলের মোট দুই হাজার ১৩৪টি চালু কারখানার মধ্যে ৯২.০৮ শতাংশ কারখানায় ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে। এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধের হার প্রায় ৯৯ শতাংশে পৌঁছেছে।

ঢাকা জোনে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো।

এখানে এক হাজার ৭৯৪টি কারখানার মধ্যে  এক হাজার ৬৯৮টি কারখানা বোনাস পরিশোধ করেছে। এটি মোটের ৯৪.৯৩ শতাংশ। একই জোনে এক হাজার ৭৭৯টি কারখানা এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধ করেছে। এটি ৯৯.১৬ শতাংশ।
 

ঢাকা অঞ্চলে এখনো ৯৬টি কারখানায় বোনাস বকেয়া রয়েছে। এ ছাড়া ১৫টি কারখানায় এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধ হয়নি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এসব কারখানায় দ্রুত বেতন ও বোনাস পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জোনে তুলনামূলকভাবে বোনাস পরিশোধের হার কিছুটা কম। এখানে ৩৪০টি কারখানার মধ্যে ২৬৭টি কারখানা বোনাস দিয়েছে।

এটি ৭৮.৫৩ শতাংশ। একই জোনে ৩৩২টি কারখানা এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধ করেছে। এটি ৯৭.৬৫ শতাংশ। 

চট্টগ্রাম অঞ্চলে এখনো ৭৩টি কারখানায় বোনাস বকেয়া রয়েছে। এ ছাড়া আটটি কারখানায় এপ্রিল মাসের বেতন অনিষ্পন্ন রয়েছে।

সার্বিকভাবে দুই জোনের মার্চ মাসের বেতন প্রায় শতভাগ পরিশোধ করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এটি ৯৯.৯৫ শতাংশ। এপ্রিল মাসের বেতনও প্রায় সব শ্রমিক ইতোমধ্যে পেয়েছেন।

শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বড় কারখানাগুলো সাধারণত সময়মতো বেতন ও বোনাস পরিশোধ করেছে। ফলে শ্রমিকদের মধ্যে বড় ধরনের অসন্তোষ দেখা দেয়নি। তবে কিছু ছোট ও মাঝারি কারখানায় আর্থিক চাপের কারণে বকেয়া রয়ে গেছে।

মে মাসের অগ্রিম বেতনও কিছু কারখানায় শুরু হয়েছে। প্রায় ৫৩২টি কারখানা এই প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানা গেছে। এটি মোট কারখানার প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

ঈদের ছুটি কেন্দ্র করে শিল্পাঞ্চলে কারখানা বন্ধের সময়সূচিও ধাপে ধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৪ মে ১০৮টি কারখানা ছুটি দিয়েছে। ২৫ মে ৬৬৪টি কারখানা বন্ধ হচ্ছে। ২৬ মে সর্বোচ্চসংখ্যক কারখানা ছুটিতে যাবে, যা ৭৭১টি। এরপর ২৭ মে আরো ২৫১টি কারখানা বন্ধ হবে।

শ্রমিক নেতারা বলছেন, ঈদের আগে বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা হলে শ্রমিকদের বাড়ি ফেরা সহজ হয়। তাঁরা আরো বলেন, যেসব কারখানায় এখনো বকেয়া রয়েছে, সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা জরুরি।

সব মিলিয়ে বলা যায়, দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প খাতে ঈদ ঘিরে আর্থিক লেনদেন স্বাভাবিক রয়েছে। অধিকাংশ শ্রমিক তাঁদের পাওনা পেয়ে গেছেন। তবে ৯৬টি কারখানায় বোনাস এবং ১৫টি কারখানায় এপ্রিল মাসের বেতন এখনো বকেয়া থাকায় বিষয়টি পুরোপুরি শেষ হয়নি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com