সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে থাকুক

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে
শ্বাসনালির দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত সমস্যাই হচ্ছে হাঁপানি বা অ্যাজমা। বিভিন্ন উদ্দীপকের প্রভাবে শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ হলে শ্বাসনালি ফুলে যায় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। প্রদাহ শ্বাসনালিকে প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে। ফলে শ্বাসনালি সংকুচিত হয় এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হয়।

বিভিন্ন কারণে অ্যাজমা হতে পারে; যেমন—বংশগত। পরিবেশগত বিভিন্ন কারণেও অ্যাজমা হতে পারে; যেমন—বায়ুদূষণ, ধোঁয়া, ধুলাবালি বা মাইট, পরাগরেণু, কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন পোষা প্রাণীর লোম থেকে হতে পারে। অ্যালার্জি, প্রচুর পরিশ্রম, ব্যায়াম এবং গর্ভাবস্থায়ও অ্যাজমা হতে পারে। 

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে থাকুক

পেশাগত কারণ; যেমন—কারখানার রাসায়নিক দ্রব্য, ঝাঁজালো গন্ধ বা দুর্গন্ধ এবং কারখানার পরিবেশ অ্যাজমার কারণ হতে পারে।

অনেক সময় মানসিক চাপ ও আবেগপ্রবণতার কারণে অ্যাজমার তীব্রতা বাড়তে পারে। অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের মূল চাবিকাঠি। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অনুসরণ করলে অ্যাজমার ঝুঁকি অনেক কমে। শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে।
কিছু উপায় মেনে হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। উপায় জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. খায়রুল কবির। 

অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকা

অ্যাজমার কারণ হতে পারে অ্যালার্জি। তাই অ্যালার্জি হয় এমন সবকিছু থেকে দূরে থাকতে হবে। কোনো খাবারে অ্যালার্জি হলে সেগুলো পরিহার করুন।

 

মাস্ক ব্যবহার

বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক বা স্কার্ফ পরিবেশগত হাঁপানির কারণ এড়াতে সাহায্য করতে পারে। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাইরে না যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। ধূলাবালি, ধোঁয়া, পরাগরেণু ও প্রাণীর লোম থেকে দূরে থাকুন।

ট্রিগার থেকে দূরে থাকা

ব্যথানাশক বিভিন্ন ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপের বিভিন্ন ওষুধ অ্যাজমা ট্রিগার করে। এগুলো পরিহার করুন। আপনার অ্যাজমা উদ্রেককারী কারণগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো এড়িয়ে চলুন। ধূমপান পরিহার করুন।

মানসিক চাপমুক্ত থাকা

মানসিক চাপ কমাতে হবে। মানসিক চাপ কমানোর বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করুন। মেডিটেশন, শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত ঘুম অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা

ঘরবাড়ি, বিছানা, বালিশ, মশারি এবং ব্যবহূত পোশাক সব সময় পরিষ্কার রাখুন। মশার কয়েল কিংবা এরোসল স্প্রে থেকে দূরে থাকুন। ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করার সময় সেখানে অবস্থান করবেন না।

পুষ্টিকর খাবার

নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার; যেমন—মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, শাক-সবজি ও ফলমূল খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেসব খাবারে অ্যালার্জি উদ্রেক হয় সেগুলো খাদ্যতালিকা থেকে ছেঁটে ফেলুন। সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়ক।

শরীরচর্চা

নিয়মিত ব্যায়াম ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ও শ্বাস-প্রশ্বাসের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। তবে হাঁপানি থাকলে নিরাপদে ব্যায়াম করা উচিত। প্রথমে ওয়ার্ম আপ করুন। ব্যায়াম শেষ করার পর কমপক্ষে ১০ মিনিট শরীর শিথিল করুন। হঠাত্ করে ব্যায়াম বন্ধ করা অনুচিত। শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার সময় দিন।

ঘরোয়া টোটকা

পেঁয়াজ যেকোনো প্রদাহজনিত রোগ উপশমে খুবই উপকারী। তা ছাড়া নাসাপথ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্ট দূর করতে কাটা পেঁয়াজ খেয়ে দেখতে পারেন। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এক গ্লাস পানির মধ্যে লেবুর রস ও সামান্য চিনি দিয়ে রোজ খেয়ে দেখতে পারেন। হাঁপানির কষ্ট অনেক কম হবে।

 

 

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com