সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

গলা বসে যাওয়া প্রতিরোধ

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

একজনের ব্যক্তিত্ব কেমন, তার অনেকটাই নির্ভর করে কণ্ঠের ওপর। এ জন্য শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো প্রতিদিন কণ্ঠস্বরেরও যত্ন প্রয়োজন। গলা বসে গেলে যে কারও যোগাযোগে ব্যাঘাত ঘটবে। কণ্ঠস্বরের যত্নে কয়েকটি কাজ করতে পারেন। যেমন–

অযথা চিৎকার- চেঁচামেচি থেকে বিরত থাকতে হবে। উচ্চ স্বরে বা অনেক জোরে কথা বললে ভোকাল কর্ডে মাইক্রোহেমোরেজ নামক সমস্যা হয়। এতে হেমাটোমা, ফ্রাইব্রোসিস হয়ে অনেক সময় কণ্ঠ পরিবর্তন হয়ে যায়। অ্যালাৰ্জি থেকেও গলা বসার সমস্যা দেখা যায়। অনেক সময় কাশির কারণে ভোকাল কর্ড ফুলে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হয়।

ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ধূমপান সরাসরি আক্রমণ করে গলার যে কোনো সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয় এবং জটিল করে তোলে। ফলে কণ্ঠনালির ক্ষতি করে।
অনেক সময় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বাইরে থেকে এসেই হুট করে আমরা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করি, যা গলার জন্য ক্ষতিকর। যাদের ঠান্ডা অ্যালার্জিজনিত সমস্যা আছে, তাদের বিশেষ সতর্কতা মেনে চলা উচিত। এ ছাড়া ঘাম অনেকক্ষণ ধরে শরীরে থাকলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। এর ফলেও গলা ভেঙে যায়। পানিশূন্যতা গলা ভাঙার আরেকটি রিস্ক ফ্যাক্টর। অনেকে হয়তো সারাদিন কথা বলছেন, কিন্তু পর্যাপ্ত পানি পান করছেন না। এতে কণ্ঠের ক্ষতি হয়। কণ্ঠের সুস্থতার জন্য প্রতিদিন অন্তত দুই লিটার পানি পান করতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী স্বরভঙ্গের যে কারণ নিয়ে আমরা সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, সেটি হলো কণ্ঠনালির ক্যান্সার। দেশে ক্রমে এটি বাড়ছে এবং ভোকাল কর্ডের ক্যান্সার এখন অনেক পাওয়া যাচ্ছে। তাই কারও যদি স্বরভঙ্গ তিন সপ্তাহের বেশি থাকে, তাহলে অবশ্যই নাক-কান-গলা রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন। বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ভোকাল কর্ড বা কণ্ঠনালি পর্যবেক্ষণ করেন।

পদ্ধতিগুলো হচ্ছে– ইনডাইরেক্ট ল্যারিংগোস্কপি/ভিডিও ল্যারিংগোস্কপি। কণ্ঠস্বরের পরিবর্তনে ব্যক্তির রোগের ইতিহাস, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রাথমিক পর্যায়ে গলা ভাঙার কারণ নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঠান্ডা লেগে যদি গলা বসে যায়, তবে কথা বলা বন্ধ করতে বা কমিয়ে দিতে হবে। কণ্ঠনালিকে বিশ্রাম দিতে হবে, এমনকি ফিসফিস করেও কথা বলা যাবে না। গলা ভাঙা উপশমে এ ক্ষেত্রে ভালো পদ্ধতি হলো গরম বাষ্প টানা। ফুটন্ত পানির বাষ্প যদি দৈনিক অন্তত ১০ মিনিট মুখ ও গলা দিয়ে টানা হয়, তবে উপকার হবে। মেনথল ইনহেলেশনও ভোকাল কর্ডকে কিছুটা আর্দ্রতা দেয়।
লেখক : রেজিস্ট্রার, নাক-কান-গলা ও
হেড- নেক সার্জারি বিভাগ, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com