সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রমিনিউজবিডি ডটকম এর পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে। সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। তার মানে এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।

ইহরাম বাঁধার নিয়ম

ঢাকা অফিস
  • আপডেট: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে
ইহরাম অর্থ হলো কোনো জিনিসকে নিজের ওপর হারাম বা নিষিদ্ধ করে নেওয়া। হজ বা ওমরাহ পালনকারী ব্যক্তি ইহরামের মাধ্যমে নিজের ওপর কিছু বিষয়কে হারাম করে নেয়। এ জন্য একে ইহরাম বলা হয়।

হজ ও ওমরাহ পালনের নিয়তে যাঁরা মক্কার উদ্দেশে গমন করেন, তাঁদের মিকাত (নির্ধারিত স্থান) অতিক্রম করার আগে ইহরামের কাপড় পরে নিতে হয়।

ইহরাম না পরে মিকাত অতিক্রম করা জায়েজ নয়। 

নামাজের জন্য যেভাবে তাকবিরে তাহরিমা বাঁধা হয়, ঠিক তেমনি হজের জন্য ইহরাম বাধা হয়।

আর নামাজে যেমন তাকবিরে তাহরিমার মাধ্যমে স্বাভাবিক সময়ের অন্য হালাল ও বৈধ কাজগুলো নামাজি ব্যক্তির জন্য হারাম হয়ে যায়; ইহরামের মাধ্যমেও হজ ও ওমরাহ পালনকারী ব্যক্তির জন্যও স্বাভাবিক অবস্থার অনেক হালাল কাজও হারাম হয়ে যায়।

পুরুষদের জন্য সেলাইবিহীন দুই টুকরা সাদা কাপড় আর নারীদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যময় শালীন পোশাক পরিধান করাই হলো ইহরাম।

 

ইহরাম বাঁধার আগে গোঁফ, বগল ও নাভির নিচের ক্ষৌর কার্য সম্পন্ন করা, নখ কাটা, গোসল বা অজু করে পাক-সাফ হয়ে যাওয়া আবশ্যক। এমনকি ঋতুবর্তী নারীদেরও এ সময় গোসল করা মুস্তাহাব। ইহরাম বাঁধার আগে সুগন্ধি ব্যবহার করাও মুস্তাহাব। তবে ইহরামের কাপড়ে আতর বা সুগন্ধি লাগাবে না।

(রদ্দুল মুহতার, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৪৮৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/২২২) 

মিকাতের নির্ধারিত স্থান থেকে অথবা মিকাতের আগেই ইহরামের কাপড় পরতে হয়। এ সময় পুরুষরা দুটি নতুন বা পরিষ্কার সাদা চাদর নেবে। একটি লুঙ্গির মতো করে পরবে। অন্যটি চাদর হিসেবে ব্যবহার করবে।

পুরুষরা ইহরামের কাপড় সুবিধামতো উপায়ে পরতে পারে।

তবে এমনভাবে পরবে, যাতে নাভির ওপর থেকে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত আবৃত হয়ে যায় এবং ইহরামের কাপড় দিয়ে কাঁধ ও শরীর আবৃত থাকে। নারীরা মুখমণ্ডল ও হাতের কবজি খোলা রাখবে। নেকাব বা বোরকা দ্বারা মুখমণ্ডল সব সময় ঢেকে রাখা যাবে না। 

পায়ের পাতার ওপরের অংশ খোলা থাকে এমন জুতা বা স্যান্ডেল পরবে। নারীরা স্বাভাবিক কাপড় পরবে। তাদের জন্য ইহরাম অবস্থায় জুতা-মোজা পরার অবকাশ আছে।

মাকরুহ ওয়াক্ত না হলে ইহরাম বাঁধার আগে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে। অতঃপর হজ বা ওমরাহর নিয়ত অনুযায়ী তালবিয়া পাঠ করবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026 PromiNewsBD.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com