মুজদালিফা হলো পবিত্র হজ পালনের ক্ষেত্রে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও রাত, যেখানে ৯ই জিলহজ আরাফার ময়দানে অবস্থানের পর হাজিরা রাত কাটান। এটি মিনা ও আরাফাতের মধ্যবর্তী একটি উন্মুক্ত ময়দান। মুজদালিফার রাতটি খোলা আকাশের নিচে ইবাদত ও আত্মনিবেদনের রাত।
সময় নিউজ +2
মুজদালিফার রাতের মূল আমলসমূহ:
আগমন ও মাগরিব-এশা আদায়: আরাফাতে সূর্যাস্তের পর, মাগরিব না পড়েই মুজদালিফার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হতে হয়। মুজদালিফায় পৌঁছে মাগরিব ও এশার নামাজ একসাথে (কসর করে) আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
রাত যাপন: ১০ই জিলহজ সুবহে সাদিক পর্যন্ত মুজদালিফায় অবস্থান করা ওয়াজিব। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কোনো শরঈ ওজর ছাড়া এই রাত ছেড়ে দিলে ‘দম’ বা পশু কুরবানি করে জরিমানা দিতে হয়।
ইবাদত: সারারাত খোলা আকাশের নিচে অথবা ছোট গ্রুপ করে মাটির ওপর মাদুর বিছিয়ে রাত কাটানো, নফল নামাজ, জিকির, তাসবীহ পাঠ ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনায় লিপ্ত থাকতে হয়।
পাথর সংগ্রহ: শয়তানকে পাথর মারার জন্য (জামারাত) প্রয়োজনীয় কংকর বা ছোট পাথরের টুকরা এখান থেকেই সংগ্রহ করতে হয়।
ফজরের নামাজ: সুবহে সাদিকের পর ফর্সা হওয়ার আগে (সূর্য উদয়ের পূর্বে) ফজরের নামাজ আদায় করা সুন্নাহ।
মুজদালিফার রাতের অভিজ্ঞতা: এটি একটি স্বর্গীয় ও অবিস্মরণীয় রাত, যেখানে ধনী-গরীব, জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একসাথে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান। এই রাতে হাজিরা দুনিয়ার সব চিন্তা ভুলে আল্লাহর দরবারে কাকুতি-মিনতি করেন এবং নিজেদের গুনাহ মাফ করিয়ে নেয়ার জন্য ব্যাকুল হন।
দ্রষ্টব্য: অত্যাধিক দুর্বলতা বা অসুস্থতার কারণে নারীদের বা বিশেষ প্রয়োজনে মুজদালিফায় রাত না কাটিয়ে মিনায় চলে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে, ত