কারা সূত্র জানায়, তার জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তির পর তিনি একটি ব্যক্তিগত সাদা গাড়িতে করে কারাগারের প্রধান ফটক দিয়ে বেরিয়ে যান।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত সহিংসতা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে লালবাগ থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের পরিচিত এই সাবেক স্পিকারের গ্রেপ্তার ও মুক্তিকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।